চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

কক্সবাজারে তেলের জন্য হাহাকার পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় গাড়িচালকরা

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
কক্সবাজারে তেলের জন্য হাহাকার পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় গাড়িচালকরা
পর্যটননগরী কক্সবাজারে পেট্রোল ও ডিজেল তেলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল পাচ্ছেন না। ফলে সাধারণ মানুষ, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শহরের পানবাজার, লিংকরোড, ঝাউতলা ও বাসর্টামিনাল এলাকার পাম্পগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও বাসের দীর্ঘ সারি। কোথাও কোথাও নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। আবু তাকের মোটরসাইকেল চালক বলেন, “ভোর ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনও নিশ্চিত নই তেল পাব কি না। কাজের ক্ষতি হচ্ছে প্রতিদিন।” পাম্প মালিকদের দাবি পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বরাদ্দ আসছে। এক পাম্প ব্যবস্থাপক জানান, “আমরা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। সীমিত মজুদের কারণে গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পরিমাণে দিতে হচ্ছে।” তেল সংকটে বাস, ট্রাক ও পর্যটনবাহী যানবাহনের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে পর্যটননির্ভর কক্সবাজারের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ছে। পরিবহন শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, “গাড়ি না চললে চালক-শ্রমিকদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত সমাধান দরকার।” জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সচেতন মহলের আশঙ্কা, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


কক্সবাজারে তেলের জন্য হাহাকার পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় গাড়িচালকরা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬

featured Image
পর্যটননগরী কক্সবাজারে পেট্রোল ও ডিজেল তেলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকেই কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল পাচ্ছেন না। ফলে সাধারণ মানুষ, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শহরের পানবাজার, লিংকরোড, ঝাউতলা ও বাসর্টামিনাল এলাকার পাম্পগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও বাসের দীর্ঘ সারি। কোথাও কোথাও নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। আবু তাকের মোটরসাইকেল চালক বলেন, “ভোর ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনও নিশ্চিত নই তেল পাব কি না। কাজের ক্ষতি হচ্ছে প্রতিদিন।” পাম্প মালিকদের দাবি পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বরাদ্দ আসছে। এক পাম্প ব্যবস্থাপক জানান, “আমরা চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছি না। সীমিত মজুদের কারণে গ্রাহকদের নির্দিষ্ট পরিমাণে দিতে হচ্ছে।” তেল সংকটে বাস, ট্রাক ও পর্যটনবাহী যানবাহনের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এতে পর্যটননির্ভর কক্সবাজারের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়ছে। পরিবহন শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ শাহাজাহান বলেন, “গাড়ি না চললে চালক-শ্রমিকদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত সমাধান দরকার।” জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সচেতন মহলের আশঙ্কা, সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত