দেশি ও বিদেশি পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে এগিয়ে চলেছে মোংলা সমুদ্র বন্দর। চলতি ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬৪ লাখ মেট্রিকটন পণ্য খালাস করা হয়েছে। একই সময়ে পণ্য নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে ৪৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে বন্দর দিয়ে মোট ১ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিকটন পণ্য আমদানি-রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও মোংলা বন্দরকে ঘিরে অর্থনীতিতে এসেছে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন।
অন্যান্য বন্দরের তুলনায় মোংলা বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনে খরচ কম হওয়ায় এবং নৌ, সড়ক ও রেলপথে সহজ যোগাযোগ সুবিধা থাকায় দেশি-বিদেশি আমদানিকারকদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। ফলে অর্থবছরের শুরু থেকেই কন্টেইনারবাহীসহ সব ধরনের জাহাজের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোংলা বন্দর দিয়ে ২৭টি কন্টেইনারবাহী জাহাজে বিভিন্ন ধরনের বিদেশি পণ্য আমদানি করা হয়েছে। যেখানে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল, সেখানে চলতি অর্থবছরের মাত্র ছয় মাসেই ১৭ হাজার ৪০০ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়া একই সময়ে ১৬টি জাহাজে ৫ হাজার ২২২টি জাপানি রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি করে মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস করা হয়েছে। পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ও যন্ত্রপাতি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই বন্দর ব্যবহার করে।
মোংলা সমুদ্র বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানা, ইপিজেড ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এর ফলে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মোংলা বন্দরের উপ-পরিচালক মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, “মোংলা বন্দরে বর্তমানে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। সরকারের উদ্যোগে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাহাজ ও পণ্য আমদানি-রপ্তানির সংখ্যা আরও বাড়বে।”
তিনি আরও বলেন, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে অর্জিত রাজস্ব দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
দেশি ও বিদেশি পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে এগিয়ে চলেছে মোংলা সমুদ্র বন্দর। চলতি ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ বন্দর দিয়ে প্রায় ৬৪ লাখ মেট্রিকটন পণ্য খালাস করা হয়েছে। একই সময়ে পণ্য নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে ৪৪০টি বাণিজ্যিক জাহাজ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরে বন্দর দিয়ে মোট ১ কোটি ৩০ লাখ মেট্রিকটন পণ্য আমদানি-রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও মোংলা বন্দরকে ঘিরে অর্থনীতিতে এসেছে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পরিবর্তন।
অন্যান্য বন্দরের তুলনায় মোংলা বন্দর দিয়ে পণ্য পরিবহনে খরচ কম হওয়ায় এবং নৌ, সড়ক ও রেলপথে সহজ যোগাযোগ সুবিধা থাকায় দেশি-বিদেশি আমদানিকারকদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। ফলে অর্থবছরের শুরু থেকেই কন্টেইনারবাহীসহ সব ধরনের জাহাজের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মোংলা বন্দর দিয়ে ২৭টি কন্টেইনারবাহী জাহাজে বিভিন্ন ধরনের বিদেশি পণ্য আমদানি করা হয়েছে। যেখানে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে মোট ২১ হাজার ৪৫৬ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল, সেখানে চলতি অর্থবছরের মাত্র ছয় মাসেই ১৭ হাজার ৪০০ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সম্পন্ন হয়েছে।
এছাড়া একই সময়ে ১৬টি জাহাজে ৫ হাজার ২২২টি জাপানি রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি করে মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস করা হয়েছে। পণ্যের পাশাপাশি দেশীয় তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পোশাক ও যন্ত্রপাতি ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই বন্দর ব্যবহার করে।
মোংলা সমুদ্র বন্দরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক শিল্পকারখানা, ইপিজেড ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এর ফলে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মোংলা বন্দরের উপ-পরিচালক মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, “মোংলা বন্দরে বর্তমানে বহুমুখী উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। সরকারের উদ্যোগে একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং জাহাজ ও পণ্য আমদানি-রপ্তানির সংখ্যা আরও বাড়বে।”
তিনি আরও বলেন, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে অর্জিত রাজস্ব দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
