চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

অভয়নগরে অবৈধ কয়লার চুল্লিতে পুড়ছে পরিবেশ: বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য, নিরব প্রশাসন

প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
অভয়নগরে অবৈধ কয়লার চুল্লিতে পুড়ছে পরিবেশ: বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য, নিরব প্রশাসন
  যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব নদ তীরবর্তী জনপদে অবৈধ কয়লার চুল্লির দাপটে প্রাণপ্রকৃতি এখন চরম সংকটে। পরিবেশ আইন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবসতি ও ফসলি জমির পাশে গড়ে ওঠা এসব চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও অদৃশ্য কারণে কয়েকদিন পরেই আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে শক্তিশালী কয়লা সিন্ডিকেট। ফসলি জমি ও বৃক্ষ নিধন: সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের সোনাতলা ও আমতলা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় শতাধিক চুল্লিতে দিনরাত পোড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ। ফলে আশপাশের আম, সুপারি ও নারিকেল বাগানগুলো মরে যাচ্ছে। চাষিরা জানিয়েছেন, ধোঁয়ার কারণে ফসলের ফলন এবার অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ২৪ ঘণ্টা চুল্লি চালু থাকায় গোটা এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চোখের জটিলতায় ভুগছেন। স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক জানান, গত এক মাসে এলাকায় শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে। সামনে নির্বাচন থাকায় এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগে কয়লা ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল ও অভয়নগরের প্রবেশপথগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার থাকলেও অবৈধ চুল্লি উচ্ছেদে স্থায়ী কোনো সমাধান মিলছে না। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, অবৈধ চুল্লি মালিকদের তালিকা করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো প্রভাব খাটিয়েই পার পাওয়া যাবে না।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


অভয়নগরে অবৈধ কয়লার চুল্লিতে পুড়ছে পরিবেশ: বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপন্ন জনস্বাস্থ্য, নিরব প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
  যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব নদ তীরবর্তী জনপদে অবৈধ কয়লার চুল্লির দাপটে প্রাণপ্রকৃতি এখন চরম সংকটে। পরিবেশ আইন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবসতি ও ফসলি জমির পাশে গড়ে ওঠা এসব চুল্লির বিষাক্ত ধোঁয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও অদৃশ্য কারণে কয়েকদিন পরেই আবারও সক্রিয় হয়ে উঠছে শক্তিশালী কয়লা সিন্ডিকেট। ফসলি জমি ও বৃক্ষ নিধন: সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের সোনাতলা ও আমতলা গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় শতাধিক চুল্লিতে দিনরাত পোড়ানো হচ্ছে বনের কাঠ। ফলে আশপাশের আম, সুপারি ও নারিকেল বাগানগুলো মরে যাচ্ছে। চাষিরা জানিয়েছেন, ধোঁয়ার কারণে ফসলের ফলন এবার অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি: স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ২৪ ঘণ্টা চুল্লি চালু থাকায় গোটা এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি ও চোখের জটিলতায় ভুগছেন। স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক জানান, গত এক মাসে এলাকায় শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে। সামনে নির্বাচন থাকায় এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগে কয়লা ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের ধারণা। নওয়াপাড়া শিল্পাঞ্চল ও অভয়নগরের প্রবেশপথগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার থাকলেও অবৈধ চুল্লি উচ্ছেদে স্থায়ী কোনো সমাধান মিলছে না। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য: এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, অবৈধ চুল্লি মালিকদের তালিকা করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। কোনো প্রভাব খাটিয়েই পার পাওয়া যাবে না।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত