মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আরও

সামগ্রিক লেনদেন ইতিবাচক

৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল

৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল
ছবি: সংগৃহীত

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই–মার্চ) দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯.১৭ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি ও কাঁচামাল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধান আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৪.১৩ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ১৫.৪৫ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, জুলাই–মার্চ সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ৫১.৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা আগের বছরের তুলনায় ৪.৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩২.৩৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ কম।

ফলে বাণিজ্য ঘাটতি আরও সম্প্রসারিত হয়েছে বলে খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের উচ্চমূল্য এবং রপ্তানি আয়ের ধীরগতিই এই পরিস্থিতির মূল কারণ।

তবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছে ২৬.২০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০.৩ শতাংশ বেশি।

চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতি কিছুটা কমে প্রায় ৪০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় উন্নতি নির্দেশ করে।

অন্যদিকে সামগ্রিক লেনদেন (ওভারঅল ব্যালান্স) ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে, যা ৩৬৫ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত দেখিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্স ও সামগ্রিক লেনদেনে উন্নতি থাকলেও বাণিজ্য ঘাটতি দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

#বাংলাদেশ_ব্যাংক #বাংলাদেশ_অর্থনীতি #বাণিজ্য_ঘাটতি

চেকপোস্ট

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


৯ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ১৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাল

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই–মার্চ) দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯.১৭ বিলিয়ন ডলারে। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি ও কাঁচামাল আমদানিতে ব্যয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় কমে যাওয়ায় এই ঘাটতি আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে আমদানি ও রপ্তানির ব্যবধান আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৪.১৩ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই ঘাটতি ছিল ১৫.৪৫ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, জুলাই–মার্চ সময়ে আমদানি হয়েছে প্রায় ৫১.৫৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য, যা আগের বছরের তুলনায় ৪.৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩২.৩৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১.১ শতাংশ কম।

ফলে বাণিজ্য ঘাটতি আরও সম্প্রসারিত হয়েছে বলে খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানিসহ বিভিন্ন পণ্যের উচ্চমূল্য এবং রপ্তানি আয়ের ধীরগতিই এই পরিস্থিতির মূল কারণ।

তবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা দেখা গেছে। একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছে ২৬.২০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০.৩ শতাংশ বেশি।

চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতি কিছুটা কমে প্রায় ৪০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় উন্নতি নির্দেশ করে।

অন্যদিকে সামগ্রিক লেনদেন (ওভারঅল ব্যালান্স) ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে, যা ৩৬৫ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত দেখিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্স ও সামগ্রিক লেনদেনে উন্নতি থাকলেও বাণিজ্য ঘাটতি দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত