মহাজাগতিক বিস্ময়ের আরেকটি দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে বিরল আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। তবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের চন্দ্রগ্রহণে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর গাঢ় কেন্দ্রীয় ছায়া বা ‘আমব্রা’র মধ্যে প্রবেশ করবে। ফলে চাঁদ পুরোপুরি আড়াল না হলেও এর বড় অংশ অন্ধকার হয়ে লালচে-কমলা আভা ধারণ করবে, যা অনেকটা ‘ব্লাড মুন’-এর মতো দেখাবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন Sky & Telescope জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পর এবার এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণ মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণের বিষয় হতে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী ২৮ আগস্ট গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ঘটবে। তবে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি হবে সকাল ১০টা ১২ মিনিটে। দিনের আলো থাকায় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অঞ্চল থেকে এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা সম্ভব হবে না।
এই চন্দ্রগ্রহণ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চল থেকে দেখা যাবে। এছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও ভোরের দিকে গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA জানিয়েছে, গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের বড় অংশ ঢেকে দেবে।
গ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এ সময় নীল আলো বেশি ছড়িয়ে পড়ায় লাল ও কমলা রঙের আলো চাঁদে প্রতিফলিত হয়। এর ফলেই চাঁদকে রক্তিম আভায় দেখা যায়।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহণের সময় আকাশে নক্ষত্র ও মিল্কিওয়ের দৃশ্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। আমেরিকা মহাদেশের পর্যবেক্ষকদের জন্য এটি ২০২৯ সালের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের আগে অন্যতম উল্লেখযোগ্য চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
মহাজাগতিক বিস্ময়ের আরেকটি দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ২৮ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে বিরল আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। তবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে না।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের চন্দ্রগ্রহণে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর গাঢ় কেন্দ্রীয় ছায়া বা ‘আমব্রা’র মধ্যে প্রবেশ করবে। ফলে চাঁদ পুরোপুরি আড়াল না হলেও এর বড় অংশ অন্ধকার হয়ে লালচে-কমলা আভা ধারণ করবে, যা অনেকটা ‘ব্লাড মুন’-এর মতো দেখাবে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন Sky & Telescope জানিয়েছে, সাম্প্রতিক পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পর এবার এই আংশিক চন্দ্রগ্রহণ মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণের বিষয় হতে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী ২৮ আগস্ট গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় ঘটবে। তবে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি হবে সকাল ১০টা ১২ মিনিটে। দিনের আলো থাকায় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অঞ্চল থেকে এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা সম্ভব হবে না।
এই চন্দ্রগ্রহণ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চল থেকে দেখা যাবে। এছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু এলাকা থেকেও ভোরের দিকে গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা NASA জানিয়েছে, গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের বড় অংশ ঢেকে দেবে।
গ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে সূর্যের আলো চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এ সময় নীল আলো বেশি ছড়িয়ে পড়ায় লাল ও কমলা রঙের আলো চাঁদে প্রতিফলিত হয়। এর ফলেই চাঁদকে রক্তিম আভায় দেখা যায়।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহণের সময় আকাশে নক্ষত্র ও মিল্কিওয়ের দৃশ্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে। আমেরিকা মহাদেশের পর্যবেক্ষকদের জন্য এটি ২০২৯ সালের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের আগে অন্যতম উল্লেখযোগ্য চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে।
