ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। একই সঙ্গে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার তেহরানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরাঘচি এসব মন্তব্য করেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে।
আরাঘচি বলেন, ‘সামরিক সমাধান নেই, আরও নিষেধাজ্ঞাভিত্তিক কোনো সমাধানও নেই।’ তাঁর মতে, আলোচনা, ন্যায়বিচার ও কূটনৈতিক মর্যাদার ভিত্তিতেই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
তিনি বলেন, এ ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যেতে পারে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
সংঘাতের প্রভাবে কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে নৌ অবরোধও আরোপ করে।
প্রস্তাবিত চুক্তিতে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমাধানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বার্তা এলেও, একই সঙ্গে সামরিক হামলা হলে কঠোর প্রতিরোধের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে ইরান।

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের কোনো সামরিক সমাধান নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। একই সঙ্গে আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেও এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার তেহরানে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরাঘচি এসব মন্তব্য করেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে।
আরাঘচি বলেন, ‘সামরিক সমাধান নেই, আরও নিষেধাজ্ঞাভিত্তিক কোনো সমাধানও নেই।’ তাঁর মতে, আলোচনা, ন্যায়বিচার ও কূটনৈতিক মর্যাদার ভিত্তিতেই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
তিনি বলেন, এ ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ করা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যেতে পারে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে ইরান অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।
সংঘাতের প্রভাবে কৌশলগত জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে নৌ অবরোধও আরোপ করে।
প্রস্তাবিত চুক্তিতে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমাধানের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে সামরিক সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের বার্তা এলেও, একই সঙ্গে সামরিক হামলা হলে কঠোর প্রতিরোধের অবস্থানও স্পষ্ট করেছে ইরান।
