বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

হামলা হলে বড় অভিযানের ঘোষণা

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি ইসরায়েলের
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সরকারি এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

ইসরায়েল কাটজ বলেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী বা তাদের সহযোগী তানজিম গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও সেনাদের ওপর হামলা চালালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করবে ইসরায়েল। একই সঙ্গে ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকীর আগে গাজায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আইডিএফের জন্য তৈরি নির্দেশনায় ৭ অক্টোবরের হামলা থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্ভাব্য হামলার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে বসতি স্থাপনকারী ও আইডিএফ সদস্যদের ওপর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাটজ বলেন, ইসরায়েল এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী ও তাদের সহযোগী তানজিম সংগঠন পশ্চিম তীর এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বসতি ও আইডিএফ সেনাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আইডিএফ ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

কাটজের ভাষ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে পিএর বিরুদ্ধে অভিযান হবে ‘স্বল্পমেয়াদি ও জোরালো’। এতে স্থল ও বিমান বাহিনী এবং বিশেষ সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা, অস্ত্র ধ্বংস এবং বাসিন্দাদের বড় পরিসরে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শহর ও শরণার্থীশিবিরগুলোতে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। একই সঙ্গে ‘গাজা ও লেবানন মডেল’ অনুসরণ করে সেনা মোতায়েন বাড়ানো এবং ইসরায়েলি বসতিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

কাটজ বলেন, অতীতের মতো দীর্ঘমেয়াদি কোনো ইন্তিফাদা নয়, বরং একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘সংক্ষিপ্ত ও জোরালো যুদ্ধ’ পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত মাসেও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন কাটজ। তিনি বলেছিলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার মতো কোনো আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়া হলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ’ শুরু করা হবে।

#ইসরায়েল #পশ্চিম_তীর #ফিলিস্তিনি_কর্তৃপক্ষ

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬


ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি ইসরায়েলের

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সরকারি এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ নির্দেশ দেন।

ইসরায়েল কাটজ বলেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী বা তাদের সহযোগী তানজিম গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও সেনাদের ওপর হামলা চালালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করবে ইসরায়েল। একই সঙ্গে ৭ অক্টোবরের হামলার তৃতীয় বার্ষিকীর আগে গাজায় সামরিক প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়ে আইডিএফের জন্য তৈরি নির্দেশনায় ৭ অক্টোবরের হামলা থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্ভাব্য হামলার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে বসতি স্থাপনকারী ও আইডিএফ সদস্যদের ওপর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কাটজ বলেন, ইসরায়েল এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যেখানে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী ও তাদের সহযোগী তানজিম সংগঠন পশ্চিম তীর এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েলি বসতি ও আইডিএফ সেনাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আইডিএফ ব্যাপক সামরিক অভিযান পরিচালনা করবে বলেও জানান ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

কাটজের ভাষ্য অনুযায়ী, পশ্চিম তীরে পিএর বিরুদ্ধে অভিযান হবে ‘স্বল্পমেয়াদি ও জোরালো’। এতে স্থল ও বিমান বাহিনী এবং বিশেষ সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা, অস্ত্র ধ্বংস এবং বাসিন্দাদের বড় পরিসরে সরিয়ে নেওয়ার মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শহর ও শরণার্থীশিবিরগুলোতে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো ধ্বংস করা হবে। একই সঙ্গে ‘গাজা ও লেবানন মডেল’ অনুসরণ করে সেনা মোতায়েন বাড়ানো এবং ইসরায়েলি বসতিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

কাটজ বলেন, অতীতের মতো দীর্ঘমেয়াদি কোনো ইন্তিফাদা নয়, বরং একটি সুস্পষ্ট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ‘সংক্ষিপ্ত ও জোরালো যুদ্ধ’ পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে গত মাসেও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন কাটজ। তিনি বলেছিলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার মতো কোনো আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়া হলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ’ শুরু করা হবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত