শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

শিক্ষা

সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হন অভিযুক্তরা

হাবিপ্রবিতে নুর হোসেন হলে হামলার জেরে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

হাবিপ্রবিতে নুর হোসেন হলে হামলার জেরে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার
ছবি:চেকপোস্ট

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রদের ওপর অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার অভিযোগে ৩১ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ২১ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখের একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

গত ২১ মে ২০২৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ২.৩০ ঘটিকায় শহীদ আবরার ফাহাদ হল হতে শতাধিক শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র এবং লাঠি হাতে নিয়ে শহীদ নূর হোসেন হলে প্রবেশ করে ছাত্রদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা হলের ভেতর নির্বিচারে তাণ্ডব চালিয়ে নামাজ ঘরসহ হলের বিভিন্ন আসবাবপত্র, সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা কর্তব্যরত সহকারী প্রক্টরসহ সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে ঘটনার সাথে জড়িত ৩১ জন শিক্ষার্থীকে দোষী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

​বিশ্ববিদ্যালয়ের 'Ordinance of Students Discipline' এর ১৪ ও ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া, ক্যাম্পাসের আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সরকারি সম্পত্তির মারাত্মক ক্ষতি সাধন করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ২১ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাত ৮.০০ টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৭তম সভার ১ম আলোচ্য বিষয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে অভিযুক্ত ৩১ জন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআইই বিভাগের মো. নাইমুর রহমান ও মো. সাজেদুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের মো. তৌহিদুল ইসলাম তূরাগ, শাকির মাহমুদ, দুর্জয় চন্দ্র বর্মন ও মো. সজিব হোসেন,  বিভাগের সারোয়ার হোসেন শাওন ও মো. ইমরান হাসান, এফপিই বিভাগের মো. আউয়াল মিয়া, মো. আসাদুজ্জামান, মো. ফারিয়াদ হোসেন ও মো. ফয়সাল আহমেদ রয়েছেন। এছাড়াও মার্কেটিং বিভাগের মো. আসাদুজ্জামান নূর ও মো. রিফাত হোসেন, ইসিই বিভাগের মো. সৌরভ আহমেদ, সিএসই বিভাগের মো. শাওন প্রধান, গনিত বিভাগের মো. মুর্তাজিম বিল্লাহ মধুর্য ও সোহেল রানা, ডিভিএম এর মো. তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আসিফ ও এম.এইচ. জামান, কৃষি অনুষদের মো. মঈন রোমান তুলন, পদার্থবিজ্ঞান  বিভাগের মো. আরাফাত হোসেন, সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. এমদাদুল ফেরদৌস জিম, অঙ্কুর পাল ও মো. শরিফুল ইসলাম সোহান, ইংরেজি বিভাগের মো. আসিফ হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের তাসরিফ ইসলাম প্রান্তিক, মৎসবিজ্ঞান অনুষদের এম. এইচ. কে. মারুফ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের মো. শিহাব শাহরিয়ার ও মো. জাফর সিদ্দিক জিশাদ এই বহিষ্কারাদেশের আওতায় পড়েছেন।

#হাবিপ্রবি #বিশ্ববিদ্যালয়_সংঘর্ষ #শিক্ষার্থী_বহিষ্কার

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬


হাবিপ্রবিতে নুর হোসেন হলে হামলার জেরে ৩১ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রদের ওপর অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করার অভিযোগে ৩১ জন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ২১ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখের একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই কঠোর সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

গত ২১ মে ২০২৬ খ্রি. বৃহস্পতিবার আনুমানিক দুপুর ২.৩০ ঘটিকায় শহীদ আবরার ফাহাদ হল হতে শতাধিক শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র এবং লাঠি হাতে নিয়ে শহীদ নূর হোসেন হলে প্রবেশ করে ছাত্রদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা হলের ভেতর নির্বিচারে তাণ্ডব চালিয়ে নামাজ ঘরসহ হলের বিভিন্ন আসবাবপত্র, সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য সরকারি সম্পত্তি বিনষ্ট করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা কর্তব্যরত সহকারী প্রক্টরসহ সাধারণ ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে ঘটনার সাথে জড়িত ৩১ জন শিক্ষার্থীকে দোষী হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

​বিশ্ববিদ্যালয়ের 'Ordinance of Students Discipline' এর ১৪ ও ১৫ ধারা মোতাবেক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়া, ক্যাম্পাসের আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সরকারি সম্পত্তির মারাত্মক ক্ষতি সাধন করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ২১ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার রাত ৮.০০ টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৭তম সভার ১ম আলোচ্য বিষয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এবং মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে অভিযুক্ত ৩১ জন ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান স্বাক্ষরিত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআইই বিভাগের মো. নাইমুর রহমান ও মো. সাজেদুর রহমান, অর্থনীতি বিভাগের মো. তৌহিদুল ইসলাম তূরাগ, শাকির মাহমুদ, দুর্জয় চন্দ্র বর্মন ও মো. সজিব হোসেন,  বিভাগের সারোয়ার হোসেন শাওন ও মো. ইমরান হাসান, এফপিই বিভাগের মো. আউয়াল মিয়া, মো. আসাদুজ্জামান, মো. ফারিয়াদ হোসেন ও মো. ফয়সাল আহমেদ রয়েছেন। এছাড়াও মার্কেটিং বিভাগের মো. আসাদুজ্জামান নূর ও মো. রিফাত হোসেন, ইসিই বিভাগের মো. সৌরভ আহমেদ, সিএসই বিভাগের মো. শাওন প্রধান, গনিত বিভাগের মো. মুর্তাজিম বিল্লাহ মধুর্য ও সোহেল রানা, ডিভিএম এর মো. তামিম ইকবাল, মোহাম্মদ আসিফ ও এম.এইচ. জামান, কৃষি অনুষদের মো. মঈন রোমান তুলন, পদার্থবিজ্ঞান  বিভাগের মো. আরাফাত হোসেন, সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. এমদাদুল ফেরদৌস জিম, অঙ্কুর পাল ও মো. শরিফুল ইসলাম সোহান, ইংরেজি বিভাগের মো. আসিফ হোসেন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের তাসরিফ ইসলাম প্রান্তিক, মৎসবিজ্ঞান অনুষদের এম. এইচ. কে. মারুফ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের মো. শিহাব শাহরিয়ার ও মো. জাফর সিদ্দিক জিশাদ এই বহিষ্কারাদেশের আওতায় পড়েছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত