হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুর বাসস্টপ এলাকার একটি গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডে চারটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় গ্যারেজ মালিকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ চালক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন মো. আব্দুল আহাদ, মো. জামাল মিয়া, মো. কুদ্দুছ মিয়া, ওয়েব মিয়া ও মো. রাহেদ আলী। প্রতিদিনের মতো তারা রতনপুর বাসস্টপ এলাকার ওই গ্যারেজে নিজেদের গাড়ি পার্কিং করে রাখতেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্যারেজের মালিক ইসলাম আলী ও লুৎফুর মিয়া সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি ভাঙারি মালামাল ও কাপড়ের জুট সংরক্ষণ করতেন। এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকায় একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। বরং কোনো ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ২টার দিকে গ্যারেজে আগুন লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জিং লাইনে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় গ্যারেজে থাকা ৫টি অটোরিকশা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, যার ফলে প্রায় ১৬ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশও।
ক্ষতিগ্রস্ত চালকদের অভিযোগ, আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ চাইলে গ্যারেজ মালিকরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পাশাপাশি তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গ্যারেজ মালিকদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রতনপুর বাসস্টপ এলাকার একটি গ্যারেজে অগ্নিকাণ্ডে চারটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় গ্যারেজ মালিকদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ চালক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন মো. আব্দুল আহাদ, মো. জামাল মিয়া, মো. কুদ্দুছ মিয়া, ওয়েব মিয়া ও মো. রাহেদ আলী। প্রতিদিনের মতো তারা রতনপুর বাসস্টপ এলাকার ওই গ্যারেজে নিজেদের গাড়ি পার্কিং করে রাখতেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গ্যারেজের মালিক ইসলাম আলী ও লুৎফুর মিয়া সেখানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার পাশাপাশি ভাঙারি মালামাল ও কাপড়ের জুট সংরক্ষণ করতেন। এতে শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা থাকায় একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। বরং কোনো ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ১৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ২টার দিকে গ্যারেজে আগুন লাগে। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার্জিং লাইনে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় গ্যারেজে থাকা ৫টি অটোরিকশা সম্পূর্ণ পুড়ে যায়, যার ফলে প্রায় ১৬ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশও।
ক্ষতিগ্রস্ত চালকদের অভিযোগ, আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ চাইলে গ্যারেজ মালিকরা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পাশাপাশি তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগীরা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গ্যারেজ মালিকদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
