স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখনো পাননি একটি চলাচলযোগ্য সড়ক। প্রতিটি নির্বাচনে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় বছরের পর বছর দুর্ভোগে দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা রাস্তাটি কাদায় পরিণত হয়। এতে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহন চলাচল করতে না পারায় শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের খাটিয়া বা মানুষের কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারায় তাদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট শেষ হলে আর কেউ আমাদের খোঁজ নেন না। আমরা বিলাসী উন্নয়ন চাই না, শুধু এমন একটি রাস্তা চাই, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।
দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসী দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখনো পাননি একটি চলাচলযোগ্য সড়ক। প্রতিটি নির্বাচনে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মিললেও বাস্তবে রাস্তা নির্মাণ না হওয়ায় বছরের পর বছর দুর্ভোগে দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁচা রাস্তাটি কাদায় পরিণত হয়। এতে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহন চলাচল করতে না পারায় শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন অসুস্থ রোগী ও গর্ভবতী নারীরা। জরুরি প্রয়োজনে তাদের খাটিয়া বা মানুষের কাঁধে করে প্রধান সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদেরও প্রতিদিন কাদা-পানি মাড়িয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত হতে না পারায় তাদের লেখাপড়ায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। ভোট শেষ হলে আর কেউ আমাদের খোঁজ নেন না। আমরা বিলাসী উন্নয়ন চাই না, শুধু এমন একটি রাস্তা চাই, যেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।
দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসী দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার ও পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
