বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ইউএনও বরাবর অভিযোগ

টুঙ্গিপাড়ায় ইউপি সদস্য বিলকিসের বিরুদ্ধে ভাতা-কার্ড ও ট্যাংকি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

টুঙ্গিপাড়ায় ইউপি সদস্য বিলকিসের বিরুদ্ধে ভাতা-কার্ড ও ট্যাংকি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ইউপি সদস্য বিলকিস। ছবি : চেকপোস্ট

সরকারি ভাতা, শিশু কার্ড ও পানির ট্যাংকি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগমের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য বিলকিস বেগম এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, শিশু কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে গজালিয়া গ্রামের নার্গিস বেগমের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, জাহানারা বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা, নেহার বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা, শুকুর শরিফের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং নূরজাহান বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিঙ্গিপাড়া গ্রামের কুব্বুত আলীর কাছ থেকে সমিতির কথা বলে ৬৭০ টাকাসহ ছয়জনের কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বিলকিস বেগম নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের মেয়ের নামে গর্ভবতী ভাতা ও শিশু কার্ড তৈরি করেছেন এবং নিজের নামেও একাধিক সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এর আগেও পানির ট্যাংকি প্রদান এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত সদস্য বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি জানানো হলে তিনি সাত দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

এ ঘটনায় বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত ও অর্থ ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগী নার্গিস বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্তরা টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে তারা ঘটনার তদন্ত, আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত এবং অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

(অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য বিলকিস বেগমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।)

#গোপালগঞ্জ_খবর #টুঙ্গিপাড়া_সংবাদ #অভিযোগ_তদন্ত

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


টুঙ্গিপাড়ায় ইউপি সদস্য বিলকিসের বিরুদ্ধে ভাতা-কার্ড ও ট্যাংকি দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

সরকারি ভাতা, শিশু কার্ড ও পানির ট্যাংকি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য বিলকিস বেগমের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য বিলকিস বেগম এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, শিশু কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে গজালিয়া গ্রামের নার্গিস বেগমের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা, জাহানারা বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা, নেহার বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা, শুকুর শরিফের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা এবং নূরজাহান বেগমের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিঙ্গিপাড়া গ্রামের কুব্বুত আলীর কাছ থেকে সমিতির কথা বলে ৬৭০ টাকাসহ ছয়জনের কাছ থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য বিলকিস বেগম নিয়মবহির্ভূতভাবে নিজের মেয়ের নামে গর্ভবতী ভাতা ও শিশু কার্ড তৈরি করেছেন এবং নিজের নামেও একাধিক সরকারি সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এর আগেও পানির ট্যাংকি প্রদান এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগীরা জানান, টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত সদস্য বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি জানানো হলে তিনি সাত দিনের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত পাননি বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

এ ঘটনায় বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত ও অর্থ ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগী নার্গিস বেগমসহ ক্ষতিগ্রস্তরা টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে তারা ঘটনার তদন্ত, আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরত এবং অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

(অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য বিলকিস বেগমের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।)


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত