বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

১০ কিলোমিটার পথে নবীপ্রেমের শোভাযাত্রা

সৈয়দপুরে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের অংশ গ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) জশনে জুলুশ অনুষ্ঠিত

সৈয়দপুরে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের অংশ গ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) জশনে জুলুশ অনুষ্ঠিত
ছবি : চেকপোস্ট

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এটি উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জশনে জুলুশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বের হয়। পরে শহরের প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই মাঠে ফিরে আসে। শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সম্মিলিত দরুদপাঠ, সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও দোয়া-মোনাজাত।

ভোর থেকেই সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, খানকাহ ও বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মানুষ রেলওয়ে মাঠে জড়ো হতে থাকেন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় পায়ে হেঁটে এবং অটোরিকশা ও পিকআপে করে অংশ নেন অনেকে। বিভিন্ন ইসলামী সংগীত, নাত ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর। অংশগ্রহণকারীদের হাতে কালেমা খচিত পতাকার পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকাও দেখা যায়।

ফুল ও বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধক উপকরণে সাজানো গাড়িবহরে পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীর প্রতিকৃতির রেপ্লিকা ছিল। শোভাযাত্রার পথে আতর ও গোলাপ পানি ছিটানো হয়। শহরের বিভিন্ন মোড়ে স্থানীয়রা হাত নেড়ে শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানান।

আয়োজনকে ঘিরে সৈয়দপুর শহরের প্রধান সড়কগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নির্মাণ করা হয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি তোরণ। পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে তোরণ, বাসাবাড়ি ও সুউচ্চ ভবনে চলে আলোকসজ্জা।

শোভাযাত্রা শেষে প্রায় এক ঘণ্টার সমাবেশে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মিলিত দরুদপাঠ করা হয়। এ সময় মুসলিম বিশ্বের শান্তি, নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর মুক্তি এবং বাংলাদেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত থেকে আগত সোলেমানিয়া দরবার শরীফের গদ্দীনশিন পীরে তরিকত হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ মেরাজ রাসুল আল কাদরী সোলেমানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ জাকিরুল মুনির, নীলফামারী-৪ আসনের এমপি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা।

সৈয়দপুরের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, গাউসিয়া কমিটি ও বিভিন্ন খানকাহর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ জশনে জুলুশে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।

Image

#সৈয়দপুর #ঈদে_মিলাদুন্নবী #জশনে_জুলুশ

চেকপোস্ট

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬


সৈয়দপুরে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের অংশ গ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) জশনে জুলুশ অনুষ্ঠিত

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের অংশগ্রহণে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, এটি উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহৎ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জশনে জুলুশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ থেকে আনন্দ শোভাযাত্রাটি বের হয়। পরে শহরের প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই মাঠে ফিরে আসে। শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় সম্মিলিত দরুদপাঠ, সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও দোয়া-মোনাজাত।

ভোর থেকেই সৈয়দপুরের বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদরাসা, খানকাহ ও বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে মানুষ রেলওয়ে মাঠে জড়ো হতে থাকেন। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্কসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা এতে অংশ নেন।

শোভাযাত্রায় পায়ে হেঁটে এবং অটোরিকশা ও পিকআপে করে অংশ নেন অনেকে। বিভিন্ন ইসলামী সংগীত, নাত ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর। অংশগ্রহণকারীদের হাতে কালেমা খচিত পতাকার পাশাপাশি ফিলিস্তিনের পতাকাও দেখা যায়।

ফুল ও বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধক উপকরণে সাজানো গাড়িবহরে পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীর প্রতিকৃতির রেপ্লিকা ছিল। শোভাযাত্রার পথে আতর ও গোলাপ পানি ছিটানো হয়। শহরের বিভিন্ন মোড়ে স্থানীয়রা হাত নেড়ে শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানান।

আয়োজনকে ঘিরে সৈয়দপুর শহরের প্রধান সড়কগুলোর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নির্মাণ করা হয় প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি তোরণ। পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে তোরণ, বাসাবাড়ি ও সুউচ্চ ভবনে চলে আলোকসজ্জা।

শোভাযাত্রা শেষে প্রায় এক ঘণ্টার সমাবেশে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি সম্মিলিত দরুদপাঠ করা হয়। এ সময় মুসলিম বিশ্বের শান্তি, নির্যাতিত মুসলিম জনগোষ্ঠীর মুক্তি এবং বাংলাদেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারত থেকে আগত সোলেমানিয়া দরবার শরীফের গদ্দীনশিন পীরে তরিকত হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ মেরাজ রাসুল আল কাদরী সোলেমানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব হাফেজ জাকিরুল মুনির, নীলফামারী-৪ আসনের এমপি হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা।

সৈয়দপুরের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, গাউসিয়া কমিটি ও বিভিন্ন খানকাহর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ জশনে জুলুশে মুসলিম ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও ঐক্য ধরে রাখার আহ্বান জানানো হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত