বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম রৌনিনপাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে গুরুতর চোখের সমস্যায় আক্রান্ত এক শিশুর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বমের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে দীর্ঘদিন ধরে চোখের জটিল সমস্যায় ভুগছিল। দ্রুত চিকিৎসা না করালে শিশুটির চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এ অবস্থায় গত ৩ জুন শিশুটির বাবা চিকিৎসা সহায়তার আবেদন নিয়ে রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে গেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
সেনাবাহিনীর দ্রুত ও মানবিক উদ্যোগের ফলে শিশুটির চোখ বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। সন্তানের চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ায় লাল খম লিয়ান বম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা, ত্রাণ সহায়তা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম রৌনিনপাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে গুরুতর চোখের সমস্যায় আক্রান্ত এক শিশুর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বমের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে দীর্ঘদিন ধরে চোখের জটিল সমস্যায় ভুগছিল। দ্রুত চিকিৎসা না করালে শিশুটির চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছিল না।
এ অবস্থায় গত ৩ জুন শিশুটির বাবা চিকিৎসা সহায়তার আবেদন নিয়ে রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে গেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
সেনাবাহিনীর দ্রুত ও মানবিক উদ্যোগের ফলে শিশুটির চোখ বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। সন্তানের চিকিৎসা নিশ্চিত হওয়ায় লাল খম লিয়ান বম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা, ত্রাণ সহায়তা এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
