মানিকগঞ্জ জেলার সাটুলিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মিজান)-এর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং দলীয় পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, মিজান প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথা বললেও আড়ালে তার ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তার অন্যতম সহযোগী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্বে চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি মাদকসহ আটক হওয়া মিজানের ছোট ভাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক রাখার বিষয়ে মিজানের নাম উল্লেখ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, তাকে জোরপূর্বক মিজানের নাম বলতে বাধ্য করা হয়েছিল।
লাইভে তিনি আরও বলেন, মিজান আসন্ন তিল্লী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ফেসবুক লাইভে মিজানের ভাইয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেলেও ওই ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা প্রয়োজন। তারা মনে করেন, পুরো বিষয়টি জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে সাজানো হতে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু এলাকার জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন হোসেনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জ জেলার সাটুলিয়া উপজেলার তিল্লী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান (মিজান)-এর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং দলীয় পরিচয়ের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, মিজান প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথা বললেও আড়ালে তার ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করেন। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, তার অন্যতম সহযোগী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পূর্বে চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি মাদকসহ আটক হওয়া মিজানের ছোট ভাই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক রাখার বিষয়ে মিজানের নাম উল্লেখ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, তাকে জোরপূর্বক মিজানের নাম বলতে বাধ্য করা হয়েছিল।
লাইভে তিনি আরও বলেন, মিজান আসন্ন তিল্লী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ফেসবুক লাইভে মিজানের ভাইয়ের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেলেও ওই ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা প্রয়োজন। তারা মনে করেন, পুরো বিষয়টি জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে সাজানো হতে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু এলাকার জন্য নয়, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের ভাবমূর্তির জন্যও ক্ষতিকর। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন হোসেনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
