বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াই নয়, শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয় আবেগ, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের এক অনন্য প্রদর্শনী। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের বিদায় আয়োজন ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করেছে ‘ওয়াটার স্যালুট’-এর মধ্য দিয়ে। রিও ডি জেনেইরোর বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের আগে ফায়ার ট্রাকের পানির ফোয়ারার আর্চের নিচ দিয়ে দলবাহী বিমানকে বিদায় জানানো হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য এটি হয়ে ওঠে শুভকামনা ও আশীর্বাদের প্রতীক।
অন্যদিকে, ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্ক জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে ইস্তাম্বুলের রাস্তায় নেমেছিল শতাধিক গাড়ির বিশাল মোটরকেড। জাতীয় পতাকায় সাজানো গাড়ির বহর ও সমর্থকদের উচ্ছ্বাস পুরো শহরকে উৎসবমুখর করে তোলে।
সেনেগাল বেছে নেয় ভিন্ন এক আয়োজন। খালি স্টেডিয়ামের মাঝখানে ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে দলীয় ভোজের মাধ্যমে তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও শিকড়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। সুরের মূর্ছনায় ছিল আফ্রিকান ঐতিহ্যের ছোঁয়াও।
জাপানের বিদায় ছিল সরল কিন্তু আবেগঘন। দেশজুড়ে শিশুদের পাঠানো শুভকামনার বার্তা জাতীয় দলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঐতিহ্যবাহী ‘হাচিমাকি’ পরে বিশ্বকাপযাত্রায় অংশ নেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইউতো নাগাতোমো।
আর্জেন্টিনা বিদায়ে তুলে ধরেছে নিজেদের গৌরবময় ইতিহাস। মেসিদের বহনকারী বিমানে ছিল ১০ নম্বর জার্সির প্রতীক, তিনটি সোনালি তারা এবং বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক চিহ্ন। অন্যদিকে, ইরানের বিদায় সমাবেশে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতি বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশটির আবেগ ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
বিশ্বকাপের আগে এসব আয়োজন প্রমাণ করে, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়। এটি একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, স্বপ্ন এবং পরিচয়ের প্রতিচ্ছবি। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই দেশগুলো নিজেদের গল্প বলে দিচ্ছে নানা রঙ, আবেগ ও প্রতীকের মাধ্যমে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াই নয়, শুরু হওয়ার আগেই শুরু হয় আবেগ, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের এক অনন্য প্রদর্শনী। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশের বিদায় আয়োজন ফুটবলপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করেছে ‘ওয়াটার স্যালুট’-এর মধ্য দিয়ে। রিও ডি জেনেইরোর বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের আগে ফায়ার ট্রাকের পানির ফোয়ারার আর্চের নিচ দিয়ে দলবাহী বিমানকে বিদায় জানানো হয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য এটি হয়ে ওঠে শুভকামনা ও আশীর্বাদের প্রতীক।
অন্যদিকে, ২৪ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা তুরস্ক জাতীয় দলকে বিদায় জানাতে ইস্তাম্বুলের রাস্তায় নেমেছিল শতাধিক গাড়ির বিশাল মোটরকেড। জাতীয় পতাকায় সাজানো গাড়ির বহর ও সমর্থকদের উচ্ছ্বাস পুরো শহরকে উৎসবমুখর করে তোলে।
সেনেগাল বেছে নেয় ভিন্ন এক আয়োজন। খালি স্টেডিয়ামের মাঝখানে ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে দলীয় ভোজের মাধ্যমে তারা নিজেদের সংস্কৃতি ও শিকড়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। সুরের মূর্ছনায় ছিল আফ্রিকান ঐতিহ্যের ছোঁয়াও।
জাপানের বিদায় ছিল সরল কিন্তু আবেগঘন। দেশজুড়ে শিশুদের পাঠানো শুভকামনার বার্তা জাতীয় দলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ঐতিহ্যবাহী ‘হাচিমাকি’ পরে বিশ্বকাপযাত্রায় অংশ নেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইউতো নাগাতোমো।
আর্জেন্টিনা বিদায়ে তুলে ধরেছে নিজেদের গৌরবময় ইতিহাস। মেসিদের বহনকারী বিমানে ছিল ১০ নম্বর জার্সির প্রতীক, তিনটি সোনালি তারা এবং বিশ্বকাপ জয়ের স্মারক চিহ্ন। অন্যদিকে, ইরানের বিদায় সমাবেশে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতি বিশ্বকাপকে ঘিরে দেশটির আবেগ ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
বিশ্বকাপের আগে এসব আয়োজন প্রমাণ করে, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়। এটি একটি জাতির ইতিহাস, সংস্কৃতি, স্বপ্ন এবং পরিচয়ের প্রতিচ্ছবি। মাঠের লড়াই শুরুর আগেই দেশগুলো নিজেদের গল্প বলে দিচ্ছে নানা রঙ, আবেগ ও প্রতীকের মাধ্যমে।
