মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চি-কে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক জান্তা তাকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর শুক্রবার (১ মে) ওয়াশিংটন এ আহ্বান জানায়।
সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর একটি জ্যেষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তাকে রাজধানী নেপিদো-এর একটি নির্দিষ্ট স্থানে গৃহবন্দি রাখা হতে পারে।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেন বর্তমান জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। এরপর বিভিন্ন অভিযোগে তাকে আটক রাখা হয়, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া সংঘাতে দেশটিতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রায় ৮০ বছর বয়সী সু চি এখনো জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় হলেও তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সু চির শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর উদ্বেগজনক। তারা জান্তাকে আহ্বান জানিয়েছে, যেন তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়লেও মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকটের দ্রুত সমাধান এখনো অনিশ্চিত।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চি-কে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক জান্তা তাকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর শুক্রবার (১ মে) ওয়াশিংটন এ আহ্বান জানায়।
সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)-এর একটি জ্যেষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তাকে রাজধানী নেপিদো-এর একটি নির্দিষ্ট স্থানে গৃহবন্দি রাখা হতে পারে।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করেন বর্তমান জান্তাপ্রধান মিন অং হ্লাইং। এরপর বিভিন্ন অভিযোগে তাকে আটক রাখা হয়, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
অভ্যুত্থানের পর শুরু হওয়া সংঘাতে দেশটিতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। প্রায় ৮০ বছর বয়সী সু চি এখনো জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় হলেও তাকে দীর্ঘদিন ধরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সু চির শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর উদ্বেগজনক। তারা জান্তাকে আহ্বান জানিয়েছে, যেন তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি যথাযথ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়লেও মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকটের দ্রুত সমাধান এখনো অনিশ্চিত।
