আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় আটক ৮৯৫ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বর্তমানে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থান করছেন।
শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করা হয়। এ সময় দূতাবাসের প্রতিনিধিদল আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে ৬৯৪ জন এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে ২০১ জন বাংলাদেশি নাগরিকের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আটক বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে।
লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) লিবিয়ার চিফ অব মিশন নিকোলেটা জিওর্দানো এর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আইওএমের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ লক্ষ্যে দূতাবাস ইতোমধ্যে ট্রাভেল পারমিট (আউটপাস) ইস্যু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। পাশাপাশি লিবিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষ এবং কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন যাত্রা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভূমধ্যসাগরীয় পথে বিপজ্জনক যাত্রা, মানবপাচার চক্রের শোষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আটকাবস্থার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে দালাল চক্রের প্রলোভনে না পড়ে নিরাপদ ও বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় আটক ৮৯৫ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। তারা বর্তমানে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থান করছেন।
শুক্রবার (১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস।
দূতাবাস জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে গানফুদা ও তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করা হয়। এ সময় দূতাবাসের প্রতিনিধিদল আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাদের তথ্য সংগ্রহ করে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে ৬৯৪ জন এবং তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে ২০১ জন বাংলাদেশি নাগরিকের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আটক বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত প্রত্যাবাসনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে।
লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) লিবিয়ার চিফ অব মিশন নিকোলেটা জিওর্দানো এর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আইওএমের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ লক্ষ্যে দূতাবাস ইতোমধ্যে ট্রাভেল পারমিট (আউটপাস) ইস্যু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। পাশাপাশি লিবিয়ার পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কর্তৃপক্ষ এবং কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসন যাত্রা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভূমধ্যসাগরীয় পথে বিপজ্জনক যাত্রা, মানবপাচার চক্রের শোষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি আটকাবস্থার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে দালাল চক্রের প্রলোভনে না পড়ে নিরাপদ ও বৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
