শনিবার, ০২ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

উত্তেজনা থাকলেও বাজারে স্বস্তি

ইরানের আলোচনা ইঙ্গিতে তেলের দাম কমল

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ইরানের আলোচনা ইঙ্গিতে তেলের দাম কমল
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠানোর খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। শুক্রবার (১ মে) এই খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে, যদিও সামগ্রিকভাবে সাপ্তাহিক হিসাবে তেলের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

লন্ডনের বাজারে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ২৬ সেন্ট বা ০.২ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১১০.১৪ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ফিউচার ১.৮৩ ডলার বা ১.৭ শতাংশ কমে ১০৩.২৪ ডলারে দাঁড়ায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, তেহরান পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে সর্বশেষ আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই উদ্যোগ বাজারে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা এবং মার্কিন নৌবাহিনীর তৎপরতায় ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতে বাধা অব্যাহত রয়েছে। ফলে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

সাক্সো ব্যাংকের বিশ্লেষক Ole Hansen বলেন, বর্তমান বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। যেকোনো ইতিবাচক সংবাদ দ্রুত দাম কমিয়ে দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার পর থেকেই তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে।

যদিও ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে গভীর অবিশ্বাস এখনো কাটেনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের একতরফা কোনো পদক্ষেপ বিশ্বাসযোগ্য নয়।

এর আগে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মার্কিন অবস্থানে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ হামলার হুমকি দিলে বাজারে সাময়িকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায়।

#ইরান_যুক্তরাষ্ট্র #তেলের_দাম #বিশ্ববাজার

চেকপোস্ট

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


ইরানের আলোচনা ইঙ্গিতে তেলের দাম কমল

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার নতুন প্রস্তাব পাঠানোর খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। শুক্রবার (১ মে) এই খবরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে, যদিও সামগ্রিকভাবে সাপ্তাহিক হিসাবে তেলের দাম এখনো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

লন্ডনের বাজারে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ১৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ২৬ সেন্ট বা ০.২ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১১০.১৪ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ফিউচার ১.৮৩ ডলার বা ১.৭ শতাংশ কমে ১০৩.২৪ ডলারে দাঁড়ায়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, তেহরান পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে সর্বশেষ আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এই উদ্যোগ বাজারে ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা এবং মার্কিন নৌবাহিনীর তৎপরতায় ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতে বাধা অব্যাহত রয়েছে। ফলে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

সাক্সো ব্যাংকের বিশ্লেষক Ole Hansen বলেন, বর্তমান বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং। যেকোনো ইতিবাচক সংবাদ দ্রুত দাম কমিয়ে দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার পর থেকেই তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে।

যদিও ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, তবুও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে গভীর অবিশ্বাস এখনো কাটেনি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের একতরফা কোনো পদক্ষেপ বিশ্বাসযোগ্য নয়।

এর আগে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মার্কিন অবস্থানে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ হামলার হুমকি দিলে বাজারে সাময়িকভাবে তেলের দাম বেড়ে যায়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত