শনিবার, ০২ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

৩০ হাজার টন দৈনিক উৎপাদন ব্যাহত

বৃষ্টি-ঝড়ে লবণচাষে ধস, ক্ষতিতে নিঃস্ব উপকূলের কৃষক

বৃষ্টি-ঝড়ে লবণচাষে ধস, ক্ষতিতে নিঃস্ব উপকূলের কৃষক
ছকি: চেকপোস্ট

কক্সবাজার-এর উপকূলে টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লবণ শিল্পে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন হাজারো টন লবণ পানিতে মিশে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক চাষীরা।

গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাঠের উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর তথ্যমতে, এ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার টন লবণ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

লবণচাষীরা জানান, মাঠে তৈরি করা ‘কাই’ বা উৎপাদন বেড নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। নতুন করে মাঠ প্রস্তুত করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চৌফলদণ্ডীর চাষী উম্মত আলী বলেন, বাজারে লবণের দাম কম এবং উৎপাদিত লবণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন পুঁজি ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। একইভাবে মহেশখালীর চাষীরাও অতিরিক্ত খরচে নতুন করে উৎপাদনে ফেরাকে প্রায় অসম্ভব বলছেন।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, বৃষ্টির কারণে লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে শ্রম ও জ্বালানি খরচ বেড়ে জাতীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন এবং আমদানি নীতিতে শিথিলতা না আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে মাঠ পুনরায় প্রস্তুত করে উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

#কক্সবাজার #লবণ_শিল্প #বাংলাদেশ_অর্থনীতি

চেকপোস্ট

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


বৃষ্টি-ঝড়ে লবণচাষে ধস, ক্ষতিতে নিঃস্ব উপকূলের কৃষক

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

কক্সবাজার-এর উপকূলে টানা বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কারণে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লবণ শিল্পে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। উৎপাদিত ও উৎপাদনাধীন হাজারো টন লবণ পানিতে মিশে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন প্রান্তিক চাষীরা।

গত ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাঠের উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর তথ্যমতে, এ পরিস্থিতিতে প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার টন লবণ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

লবণচাষীরা জানান, মাঠে তৈরি করা ‘কাই’ বা উৎপাদন বেড নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। নতুন করে মাঠ প্রস্তুত করতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চৌফলদণ্ডীর চাষী উম্মত আলী বলেন, বাজারে লবণের দাম কম এবং উৎপাদিত লবণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন পুঁজি ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। একইভাবে মহেশখালীর চাষীরাও অতিরিক্ত খরচে নতুন করে উৎপাদনে ফেরাকে প্রায় অসম্ভব বলছেন।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া জানান, বৃষ্টির কারণে লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে শ্রম ও জ্বালানি খরচ বেড়ে জাতীয় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের জন্য জরুরি আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন এবং আমদানি নীতিতে শিথিলতা না আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে মাঠ পুনরায় প্রস্তুত করে উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত