ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে হারানো আধিপত্য পুনরুদ্ধার এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের প্রভাব ঠেকাতে কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একটি সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্ক কাজ করছিল বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা সূত্র। অভিযোগ অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথি।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, বিথিকে আদালতে আনা-নেওয়ার সময় প্রিজন ভ্যান বা পুলিশি নিরাপত্তা বলয় থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে আন্ডারওয়ার্ল্ডে সুব্রত বাইনের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তানিম রেজা বাপ্পিকে জিসানের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে আনার লক্ষ্য ছিল বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বছর সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর ঢাকার অপরাধ জগতে জিসান গ্রুপের প্রভাব বাড়তে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে কারাগারে থাকা কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী নিজেদের প্রভাব ফিরিয়ে আনতে একাধিক পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া তানিম রেজা বাপ্পি, যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী ইখতিয়ারের ভাগিনা হিসেবে পরিচিত, তাকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কারাগারের বাইরে থেকে পলাতক লেদার লিটন পরিকল্পনার সমন্বয় করছিলেন।
গোয়েন্দাদের দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ী আদালতে হাজিরার সময় যানজট বা অনুকূল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে বিথিকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই সংশ্লিষ্টদের গতিবিধি নজরে আসে।
এদিকে, চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে আদালত সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অস্ত্রের উৎস, পলাতক সহযোগীদের অবস্থান এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রিজন ভ্যানে হামলার মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ নয়, কারণ এ ধরনের আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়ার সময় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে বর্ণিত পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও তদন্ত শেষ হওয়ার পরই নিশ্চিত হবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে হারানো আধিপত্য পুনরুদ্ধার এবং শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের প্রভাব ঠেকাতে কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের একটি সুপরিকল্পিত নেটওয়ার্ক কাজ করছিল বলে দাবি করেছে গোয়েন্দা সূত্র। অভিযোগ অনুযায়ী, এই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন বিথি।
গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, বিথিকে আদালতে আনা-নেওয়ার সময় প্রিজন ভ্যান বা পুলিশি নিরাপত্তা বলয় থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে আন্ডারওয়ার্ল্ডে সুব্রত বাইনের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তানিম রেজা বাপ্পিকে জিসানের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে আনার লক্ষ্য ছিল বলে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বছর সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর ঢাকার অপরাধ জগতে জিসান গ্রুপের প্রভাব বাড়তে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে কারাগারে থাকা কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী নিজেদের প্রভাব ফিরিয়ে আনতে একাধিক পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, গ্রেপ্তার হওয়া তানিম রেজা বাপ্পি, যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী ইখতিয়ারের ভাগিনা হিসেবে পরিচিত, তাকে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, কারাগারের বাইরে থেকে পলাতক লেদার লিটন পরিকল্পনার সমন্বয় করছিলেন।
গোয়েন্দাদের দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ী আদালতে হাজিরার সময় যানজট বা অনুকূল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে বিথিকে ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই সংশ্লিষ্টদের গতিবিধি নজরে আসে।
এদিকে, চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে আদালত সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে অস্ত্রের উৎস, পলাতক সহযোগীদের অবস্থান এবং সম্ভাব্য অপরাধমূলক পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রিজন ভ্যানে হামলার মতো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ নয়, কারণ এ ধরনের আসামিদের আদালতে আনা-নেওয়ার সময় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে বর্ণিত পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া ও তদন্ত শেষ হওয়ার পরই নিশ্চিত হবে।
