সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর পৃথক অভিযানে প্রায় ২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। রবিবার (৩ মে ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ব্যাটালিয়ন সদরসহ বাংলাবাজার, কালাইরাগ, মিনাটিলা, সংগ্রাম, বিছনাকান্দি, প্রতাপপুর ও শ্রীপুর এলাকায় বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য আটক করে।
জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মহিষ, জিরা, স্কিন ব্রাইট ক্রিম, সানগ্লাস, বিস্কুট, বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী, চকলেট, মদ, একটি মোটরসাইকেলসহ নানা পণ্য। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় শিং মাছ, সুপারি ও ট্রাউজারও আটক করা হয়। অবৈধভাবে পাথর পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি পাথরসহ জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার ৭০ টাকা।
সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জব্দকৃত পণ্যের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর পৃথক অভিযানে প্রায় ২ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। রবিবার (৩ মে ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেটের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ব্যাটালিয়ন সদরসহ বাংলাবাজার, কালাইরাগ, মিনাটিলা, সংগ্রাম, বিছনাকান্দি, প্রতাপপুর ও শ্রীপুর এলাকায় বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য আটক করে।
জব্দকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ভারতীয় মহিষ, জিরা, স্কিন ব্রাইট ক্রিম, সানগ্লাস, বিস্কুট, বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী, চকলেট, মদ, একটি মোটরসাইকেলসহ নানা পণ্য। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় শিং মাছ, সুপারি ও ট্রাউজারও আটক করা হয়। অবৈধভাবে পাথর পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি পাথরসহ জব্দ করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, জব্দকৃত এসব চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ৮ হাজার ৭০ টাকা।
সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক জানান, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জব্দকৃত পণ্যের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
