লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সাব্বির বিন শামসকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি কূটনৈতিক পাসপোর্টসহ মোট সাতটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে সীমান্তের দহগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
রাত ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির বিন শামস ভারত থেকে অবৈধপথে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তার চলাফেরা ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। আটক সাব্বির বিন শামসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সাব্বির বিন শামস আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিনিস্টার হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) সাব্বির বিন শামসকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি কূটনৈতিক পাসপোর্টসহ মোট সাতটি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) দুপুরে সীমান্তের দহগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
রাত ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির বিন শামস ভারত থেকে অবৈধপথে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। তার চলাফেরা ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। আটক সাব্বির বিন শামসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সাব্বির বিন শামস আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিনিস্টার হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
