বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গল এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে বিজিবির ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অন্যান্য অপরাধে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো সেখানে মজুত করে রেখেছিল দুষ্কৃতকারীরা।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্র কারা সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধে বিজিবি দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ ও ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী দুর্গম এই বনাঞ্চলকে ব্যবহার করে অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত পিলার ১৯৭৮ থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্টের দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন জঙ্গল এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে বিজিবির ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অন্যান্য অপরাধে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো সেখানে মজুত করে রেখেছিল দুষ্কৃতকারীরা।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্র কারা সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধে বিজিবি দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ ও ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী দুর্গম এই বনাঞ্চলকে ব্যবহার করে অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে বিজিবির নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
