সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক কাপ কফি—অনেকের কাছেই এটি দিনের শুরু করার অপরিহার্য অংশ। আবার কেউ মনে করেন, ঘুম থেকে উঠেই কফি খেলে শরীরের কর্টিসল হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে। ফলে কফি খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে নানা ধরনের ধারণা প্রচলিত রয়েছে।
তবে ঘুম থেকে ওঠার কয়েক ঘণ্টা পর, বিশেষ করে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কফি খেলেই বেশি শক্তি পাওয়া যায়, এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কফি খাওয়ার উপযুক্ত সময় মূলত নির্ভর করে ব্যক্তির ঘুমের সময়, দৈনন্দিন কাজ, ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীলতা এবং কফি খাওয়ার উদ্দেশ্যের ওপর।
না। ঘুম থেকে উঠেই কফি খেলে ক্ষতি হবে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে কর্টিসলের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। সাধারণত ঘুম থেকে ওঠার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর কর্টিসল তুলনামূলক বেশি থাকে। এই হরমোন শরীরকে সতর্ক ও সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে কফির ক্যাফেইনও সতর্কতা বাড়ায়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই কফি খেয়ে যদি কেউ ভালো অনুভব করেন এবং এতে ঘুম বা উদ্বেগের সমস্যা না হয়, শুধু কর্টিসলের কথা চিন্তা করে সেই অভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
এই ধারণার পেছনে রয়েছে কর্টিসলের দৈনিক ওঠানামা। সকালে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে এবং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে। তাই ধারণা করা হয়, সকাল একটু গড়িয়ে গেলে ক্যাফেইনের উদ্দীপক প্রভাব তুলনামূলক বেশি অনুভূত হতে পারে।
এ কারণেই সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটকে অনেক সময় কফি খাওয়ার সম্ভাব্য ভালো সময় বলা হয়। তবে এটি কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নয় এবং এই সময়ে কফি খেলেই সবার শক্তি বা মনোযোগ বেশি বাড়বে—এমন প্রমাণ নেই।
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের ক্ষেত্রে কফি খাওয়ার সময় কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ক্যাফেইন শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং ব্যায়ামের সময় ক্লান্তি কিছুটা বিলম্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
ব্যায়াম বা খেলাধুলার প্রায় ৪৫ মিনিট আগে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে এর প্রভাব কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে ক্যাফেইনের প্রয়োজনীয়তা আলাদা। তাই বেশি কফি পান করলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।
কফির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো ঘুমের ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব। ক্যাফেইন শরীরে কয়েক ঘণ্টা সক্রিয় থাকতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা ক্যাফেইনের উল্লেখযোগ্য অংশ পাঁচ ঘণ্টা পরও শরীরে থেকে যেতে পারে।
ফলে বিকেল বা সন্ধ্যায় কফি পান করলে রাতে ঘুমাতে সমস্যা হতে পারে। তবে এর প্রভাব ব্যক্তিভেদে আলাদা। কেউ বিকেলেও কফি পান করে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেন, আবার কারও অল্প ক্যাফেইনেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যাফেইন অস্থিরতা, বিরক্তি, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার অনুভূতি বা উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
কফি পান করার পর এসব সমস্যা দেখা দিলে পরিমাণ কমিয়ে দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল, তাদের কফি খাওয়ার সময় ও পরিমাণের দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত।
ক্যাফেইন সাময়িকভাবে কর্টিসলের মাত্রা বাড়াতে পারে। সকালে শরীরে কর্টিসল এমনিতেই তুলনামূলক বেশি থাকায় কফি পান করলে এই মাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
তবে কফির কারণে কর্টিসলের সাময়িক বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে—এমন পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। নিয়মিত কফি পানকারীদের ক্ষেত্রে ক্যাফেইনের এই প্রভাব সময়ের সঙ্গে কিছুটা কমে আসতে পারে।
তাই শুধু কর্টিসল কমানোর জন্য সবার সকালে কফি পান বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যাফেইন সাধারণত নিরাপদ সীমার মধ্যে ধরা হয়। তবে এক কাপ কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ নির্ভর করে কফির ধরন, তৈরির পদ্ধতি ও কাপের আকারের ওপর।
শুধু কফি নয়—চা, কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক ও ডার্ক চকোলেট থেকেও ক্যাফেইন শরীরে প্রবেশ করে। তাই সারাদিনে মোট কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ করছেন, সেটিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময় ক্যাফেইন গ্রহণের সীমা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে খালি পেটে কফি পান করাই ক্ষতিকর—এমন প্রমাণ নেই। তবে কারও কফি পান করলে বুকজ্বালা, পেটের অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হলে খাবারের সঙ্গে বা খাবারের পর কফি পান করে দেখা যেতে পারে।
অর্থাৎ সবার জন্য খালি পেটে কফি নিষিদ্ধ—এমন ধারণা ঠিক নয়। নিজের শরীর কফির প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া করছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সবার জন্য নির্দিষ্ট একটি সময়কে কফি খাওয়ার সেরা সময় বলা যায় না। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় ঠিক করা যেতে পারে—
কফি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার চেয়ে মোট ক্যাফেইন গ্রহণ এবং ঘুমের ওপর এর প্রভাব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সকালে কফি পান করে যদি সতেজ লাগে, রাতে ভালো ঘুম হয় এবং অস্থিরতা বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা না থাকে, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার পর কফি পান করার কারণেই উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।
অন্যদিকে কফি পান করলে যদি দুপুরের পর অস্থিরতা বাড়ে বা রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয়, তাহলে কফির পরিমাণ কমানো কিংবা দিনের আরও আগে কফি পান করার অভ্যাস করা যেতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০টার মধ্যে কফি খাওয়াই সবার জন্য সেরা—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। নিজের ঘুম, কাজের সময়সূচি ও শরীরের প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করেই কফি খাওয়ার সময় নির্ধারণ করা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত। তবে ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক কাপ কফি—অনেকের কাছেই এটি দিনের শুরু করার অপরিহার্য অংশ। আবার কেউ মনে করেন, ঘুম থেকে উঠেই কফি খেলে শরীরের কর্টিসল হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে। ফলে কফি খাওয়ার সঠিক সময় নিয়ে নানা ধরনের ধারণা প্রচলিত রয়েছে।
তবে ঘুম থেকে ওঠার কয়েক ঘণ্টা পর, বিশেষ করে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে কফি খেলেই বেশি শক্তি পাওয়া যায়, এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। কফি খাওয়ার উপযুক্ত সময় মূলত নির্ভর করে ব্যক্তির ঘুমের সময়, দৈনন্দিন কাজ, ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীলতা এবং কফি খাওয়ার উদ্দেশ্যের ওপর।
না। ঘুম থেকে উঠেই কফি খেলে ক্ষতি হবে—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরে কর্টিসলের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই বাড়ে। সাধারণত ঘুম থেকে ওঠার ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট পর কর্টিসল তুলনামূলক বেশি থাকে। এই হরমোন শরীরকে সতর্ক ও সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে।
অন্যদিকে কফির ক্যাফেইনও সতর্কতা বাড়ায়। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠেই কফি খেয়ে যদি কেউ ভালো অনুভব করেন এবং এতে ঘুম বা উদ্বেগের সমস্যা না হয়, শুধু কর্টিসলের কথা চিন্তা করে সেই অভ্যাস পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।
এই ধারণার পেছনে রয়েছে কর্টিসলের দৈনিক ওঠানামা। সকালে কর্টিসলের মাত্রা বেশি থাকে এবং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে। তাই ধারণা করা হয়, সকাল একটু গড়িয়ে গেলে ক্যাফেইনের উদ্দীপক প্রভাব তুলনামূলক বেশি অনুভূত হতে পারে।
এ কারণেই সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৩০ মিনিটকে অনেক সময় কফি খাওয়ার সম্ভাব্য ভালো সময় বলা হয়। তবে এটি কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নয় এবং এই সময়ে কফি খেলেই সবার শক্তি বা মনোযোগ বেশি বাড়বে—এমন প্রমাণ নেই।
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের ক্ষেত্রে কফি খাওয়ার সময় কিছুটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ক্যাফেইন শারীরিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং ব্যায়ামের সময় ক্লান্তি কিছুটা বিলম্বিত করতে সাহায্য করতে পারে।
ব্যায়াম বা খেলাধুলার প্রায় ৪৫ মিনিট আগে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে এর প্রভাব কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে ক্যাফেইনের প্রয়োজনীয়তা আলাদা। তাই বেশি কফি পান করলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে—এমন ধারণা ঠিক নয়।
কফির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো ঘুমের ওপর ক্যাফেইনের প্রভাব। ক্যাফেইন শরীরে কয়েক ঘণ্টা সক্রিয় থাকতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে গ্রহণ করা ক্যাফেইনের উল্লেখযোগ্য অংশ পাঁচ ঘণ্টা পরও শরীরে থেকে যেতে পারে।
ফলে বিকেল বা সন্ধ্যায় কফি পান করলে রাতে ঘুমাতে সমস্যা হতে পারে। তবে এর প্রভাব ব্যক্তিভেদে আলাদা। কেউ বিকেলেও কফি পান করে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারেন, আবার কারও অল্প ক্যাফেইনেও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্যাফেইন অস্থিরতা, বিরক্তি, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার অনুভূতি বা উদ্বেগ বাড়াতে পারে।
কফি পান করার পর এসব সমস্যা দেখা দিলে পরিমাণ কমিয়ে দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা ক্যাফেইনের প্রতি সংবেদনশীল, তাদের কফি খাওয়ার সময় ও পরিমাণের দিকে বেশি নজর দেওয়া উচিত।
ক্যাফেইন সাময়িকভাবে কর্টিসলের মাত্রা বাড়াতে পারে। সকালে শরীরে কর্টিসল এমনিতেই তুলনামূলক বেশি থাকায় কফি পান করলে এই মাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।
তবে কফির কারণে কর্টিসলের সাময়িক বৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে—এমন পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। নিয়মিত কফি পানকারীদের ক্ষেত্রে ক্যাফেইনের এই প্রভাব সময়ের সঙ্গে কিছুটা কমে আসতে পারে।
তাই শুধু কর্টিসল কমানোর জন্য সবার সকালে কফি পান বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যাফেইন সাধারণত নিরাপদ সীমার মধ্যে ধরা হয়। তবে এক কাপ কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ নির্ভর করে কফির ধরন, তৈরির পদ্ধতি ও কাপের আকারের ওপর।
শুধু কফি নয়—চা, কোমল পানীয়, এনার্জি ড্রিংক ও ডার্ক চকোলেট থেকেও ক্যাফেইন শরীরে প্রবেশ করে। তাই সারাদিনে মোট কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ করছেন, সেটিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানের সময় ক্যাফেইন গ্রহণের সীমা নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রে খালি পেটে কফি পান করাই ক্ষতিকর—এমন প্রমাণ নেই। তবে কারও কফি পান করলে বুকজ্বালা, পেটের অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হলে খাবারের সঙ্গে বা খাবারের পর কফি পান করে দেখা যেতে পারে।
অর্থাৎ সবার জন্য খালি পেটে কফি নিষিদ্ধ—এমন ধারণা ঠিক নয়। নিজের শরীর কফির প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া করছে, সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সবার জন্য নির্দিষ্ট একটি সময়কে কফি খাওয়ার সেরা সময় বলা যায় না। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় ঠিক করা যেতে পারে—
কফি খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করার চেয়ে মোট ক্যাফেইন গ্রহণ এবং ঘুমের ওপর এর প্রভাব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সকালে কফি পান করে যদি সতেজ লাগে, রাতে ভালো ঘুম হয় এবং অস্থিরতা বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা না থাকে, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার পর কফি পান করার কারণেই উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।
অন্যদিকে কফি পান করলে যদি দুপুরের পর অস্থিরতা বাড়ে বা রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয়, তাহলে কফির পরিমাণ কমানো কিংবা দিনের আরও আগে কফি পান করার অভ্যাস করা যেতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, সকাল ৯টা ৩০ থেকে ১১টা ৩০টার মধ্যে কফি খাওয়াই সবার জন্য সেরা—এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। নিজের ঘুম, কাজের সময়সূচি ও শরীরের প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করেই কফি খাওয়ার সময় নির্ধারণ করা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত। তবে ভালো ঘুমের জন্য ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
