ধুলাবালি, ভাইরাস ও নানা ধরনের জীবাণুর সংস্পর্শে প্রতিদিনই আসতে হয়। তবে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা তুলনামূলকভাবে কম অসুস্থ হন। এর পেছনে রয়েছে তাদের নিয়মিত মেনে চলা কিছু সচেতন অভ্যাস।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় কোনো ওষুধ নয়—বরং পরিচ্ছন্নতা ও সতর্কতার ছোট ছোট অভ্যাসই সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে।
১. আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার
কাঁচা মাংস ও সবজির জন্য আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করলে ক্রস-কনটামিনেশন বা জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে।
২. চলন্ত পানিতে সবজি ধোয়া
পাত্রে ভিজিয়ে রাখার বদলে কলের পানিতে ঘষে ধুলে ময়লা, জীবাণু ও রাসায়নিক দূর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
৩. কিচেন স্পঞ্জ পরিষ্কার রাখা
ভেজা স্পঞ্জে দ্রুত জীবাণু জমে। নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।
৪. নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা
মুখের ব্যাকটেরিয়া শরীরের বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সঠিক নিয়মে দাঁতের যত্ন প্রয়োজন।
৫. বাথরুমের ম্যাট শুকনো রাখা
ভেজা ম্যাটে ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। নিয়মিত ধোয়া ও শুকানো উচিত।
৬. ঘরে ঢোকার আগে জুতা খুলে রাখা
জুতোর মাধ্যমে বাইরের জীবাণু ঘরে প্রবেশ করতে পারে।
৭. ঘরে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা
অতিথি আসার আগে জানালা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঘরের পরিবেশ ভালো থাকে।
৮. ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়া
সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া অনেক সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর।
৯. জনসমাগমের জায়গায় সতর্ক থাকা
লিফটের বোতাম, দরজার হাতলসহ বেশি ব্যবহৃত জায়গা স্পর্শের পর হাত পরিষ্কার করা জরুরি।
১০. উন্মুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা
সুপারমার্কেটের ফ্রি স্যাম্পল বা খোলা খাবারে জীবাণু থাকার ঝুঁকি থাকে।
১১. জিমে স্যান্ডেল ও তোয়ালে ব্যবহার
লকাররুম ও শাওয়ার এলাকায় ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
১২. ক্ষত পরিষ্কারে প্রথমে পানি ব্যবহার
কেটে গেলে আগে পরিষ্কার চলন্ত পানিতে ধুয়ে নেওয়া উচিত।
১৩. ভ্রমণে টুইজার রাখা
বন বা ঘাসযুক্ত এলাকায় গেলে পোকামাকড়ের কামড় থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
১৪. মশা থেকে সুরক্ষা নেওয়া
ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৫. বিদেশে নিরাপদ পানি ব্যবহার
যেসব দেশে পানির মান ভালো নয়, সেখানে দাঁত ব্রাশের জন্যও বোতলজাত পানি ব্যবহার করা ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকতে কঠিন কিছু করার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস ও সচেতনতা বজায় রাখলেই অনেক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ধুলাবালি, ভাইরাস ও নানা ধরনের জীবাণুর সংস্পর্শে প্রতিদিনই আসতে হয়। তবে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞরা তুলনামূলকভাবে কম অসুস্থ হন। এর পেছনে রয়েছে তাদের নিয়মিত মেনে চলা কিছু সচেতন অভ্যাস।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় কোনো ওষুধ নয়—বরং পরিচ্ছন্নতা ও সতর্কতার ছোট ছোট অভ্যাসই সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে পারে।
১. আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার
কাঁচা মাংস ও সবজির জন্য আলাদা কাটিং বোর্ড ব্যবহার করলে ক্রস-কনটামিনেশন বা জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে।
২. চলন্ত পানিতে সবজি ধোয়া
পাত্রে ভিজিয়ে রাখার বদলে কলের পানিতে ঘষে ধুলে ময়লা, জীবাণু ও রাসায়নিক দূর হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
৩. কিচেন স্পঞ্জ পরিষ্কার রাখা
ভেজা স্পঞ্জে দ্রুত জীবাণু জমে। নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা জরুরি।
৪. নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা
মুখের ব্যাকটেরিয়া শরীরের বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সঠিক নিয়মে দাঁতের যত্ন প্রয়োজন।
৫. বাথরুমের ম্যাট শুকনো রাখা
ভেজা ম্যাটে ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে। নিয়মিত ধোয়া ও শুকানো উচিত।
৬. ঘরে ঢোকার আগে জুতা খুলে রাখা
জুতোর মাধ্যমে বাইরের জীবাণু ঘরে প্রবেশ করতে পারে।
৭. ঘরে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা
অতিথি আসার আগে জানালা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করলে ঘরের পরিবেশ ভালো থাকে।
৮. ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়া
সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া অনেক সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর।
৯. জনসমাগমের জায়গায় সতর্ক থাকা
লিফটের বোতাম, দরজার হাতলসহ বেশি ব্যবহৃত জায়গা স্পর্শের পর হাত পরিষ্কার করা জরুরি।
১০. উন্মুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা
সুপারমার্কেটের ফ্রি স্যাম্পল বা খোলা খাবারে জীবাণু থাকার ঝুঁকি থাকে।
১১. জিমে স্যান্ডেল ও তোয়ালে ব্যবহার
লকাররুম ও শাওয়ার এলাকায় ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
১২. ক্ষত পরিষ্কারে প্রথমে পানি ব্যবহার
কেটে গেলে আগে পরিষ্কার চলন্ত পানিতে ধুয়ে নেওয়া উচিত।
১৩. ভ্রমণে টুইজার রাখা
বন বা ঘাসযুক্ত এলাকায় গেলে পোকামাকড়ের কামড় থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
১৪. মশা থেকে সুরক্ষা নেওয়া
ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়াসহ বিভিন্ন রোগ থেকে বাঁচতে মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা নিতে হবে।
১৫. বিদেশে নিরাপদ পানি ব্যবহার
যেসব দেশে পানির মান ভালো নয়, সেখানে দাঁত ব্রাশের জন্যও বোতলজাত পানি ব্যবহার করা ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ থাকতে কঠিন কিছু করার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস ও সচেতনতা বজায় রাখলেই অনেক সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
