লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির তাজুরা এলাকায় মানবপাচারের কাজে ব্যবহৃত নৌকা নির্মাণ ও সরঞ্জাম সরবরাহকারী একটি গোপন কারখানা ধ্বংস করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযানে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে।
ত্রিপোলির অনিয়মিত অভিবাসনবিরোধী সংস্থার তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহ বিভাগ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। তদন্তে জানা যায়, কারখানাটি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাচারের জন্য ব্যবহৃত নৌকা প্রস্তুতের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল।
অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রসিকিউশন অফিসের কর্মকর্তারা অংশ নেন। তল্লাশির সময় নৌকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কারখানায় কর্মরত কয়েকজনকে আটক করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশন অফিসে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবছর হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশী লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তা সত্ত্বেও মানবপাচারকারী চক্রগুলো সক্রিয় রয়েছে।
অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার সঙ্গে কাজ করছে। ২০১৫ সাল থেকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও মানবপাচার প্রতিরোধে লিবিয়াকে প্রায় ৭০ কোটি ইউরো সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির তাজুরা এলাকায় মানবপাচারের কাজে ব্যবহৃত নৌকা নির্মাণ ও সরঞ্জাম সরবরাহকারী একটি গোপন কারখানা ধ্বংস করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযানে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে।
ত্রিপোলির অনিয়মিত অভিবাসনবিরোধী সংস্থার তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহ বিভাগ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। তদন্তে জানা যায়, কারখানাটি ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাচারের জন্য ব্যবহৃত নৌকা প্রস্তুতের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছিল।
অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রসিকিউশন অফিসের কর্মকর্তারা অংশ নেন। তল্লাশির সময় নৌকা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে কারখানায় কর্মরত কয়েকজনকে আটক করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অভিযোগ স্বীকার করেছেন। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশন অফিসে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবছর হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশী লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ঝুঁকিপূর্ণ এই যাত্রায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তা সত্ত্বেও মানবপাচারকারী চক্রগুলো সক্রিয় রয়েছে।
অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার সঙ্গে কাজ করছে। ২০১৫ সাল থেকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও মানবপাচার প্রতিরোধে লিবিয়াকে প্রায় ৭০ কোটি ইউরো সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
