কুড়িগ্রামের নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শুক্রবার তিনি জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকা ঘুরে ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী চিলমারী হয়ে রৌমারী, খেদাইমারী, চর শৌলমারী ও উলিপুরের সাহেবের আলগাসহ বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ব্রহ্মপুত্র নদসহ বিভিন্ন নদ-নদীর ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন তিনি।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী মন্ত্রীর কাছে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা বসতভিটা, আবাদি জমি, রাস্তাঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন ও ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে তাদের বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষ করে রৌমারী, চর শৌলমারী, খেদাইমারী ও উলিপুরের সাহেবের আলগা এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের পর কুড়িগ্রামের দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
কুড়িগ্রামের নদীভাঙনকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শুক্রবার তিনি জেলার বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকা ঘুরে ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী চিলমারী হয়ে রৌমারী, খেদাইমারী, চর শৌলমারী ও উলিপুরের সাহেবের আলগাসহ বিভিন্ন নদীতীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ব্রহ্মপুত্র নদসহ বিভিন্ন নদ-নদীর ভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন তিনি।
নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী মন্ত্রীর কাছে তাদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা বসতভিটা, আবাদি জমি, রাস্তাঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন ও ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয়রা বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে তাদের বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। বিশেষ করে রৌমারী, চর শৌলমারী, খেদাইমারী ও উলিপুরের সাহেবের আলগা এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের আতঙ্কে রয়েছেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। নদীভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে টেকসই প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শনের পর কুড়িগ্রামের দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হবে।
