সুনামগঞ্জের ছাতকে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মীর ওপর হামলা এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ প্রায় এক ঘণ্টা চলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের বুড়াইয়া রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে পৃথক মিছিল বের করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ছাতক-সিলেট সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদলের বিক্ষোভে যোগ দেয়।
খবর পেয়ে ছাতক থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের অভিযোগ আইনগতভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের নেতা মোজাহিদ আহমদ এবং গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জল হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের।
তাদের অভিযোগ, ঘটনার আগের দিন ছাত্রলীগের এক নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। ওই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ছাত্রদল নেতা মাহবুব ও ইমন আহমদও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, জাহেদ আহমদ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মদদ দিচ্ছেন। এ কারণে বিক্ষোভ মিছিলে জাহেদের নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
এদিকে, জাহেদ আহমদের মালিকানাধীন মেসার্স আমিন ভ্যারাইটিজ স্টোরে অস্ত্র রয়েছে-এমন অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে তল্লাশিতে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্র থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জের ছাতকে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মীর ওপর হামলা এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে উপজেলার গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ প্রায় এক ঘণ্টা চলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এ সময় তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের বুড়াইয়া রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে পৃথক মিছিল বের করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ছাতক-সিলেট সড়ক প্রদক্ষিণ করে ছাত্রদলের বিক্ষোভে যোগ দেয়।
খবর পেয়ে ছাতক থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত হন। পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের অভিযোগ আইনগতভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে সৈয়দেরগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের নেতা মোজাহিদ আহমদ এবং গোবিন্দগঞ্জ কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক উজ্জল হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি বিক্ষোভকারীদের।
তাদের অভিযোগ, ঘটনার আগের দিন ছাত্রলীগের এক নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। ওই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেন তারা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্ট কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ছাত্রদল নেতা মাহবুব ও ইমন আহমদও একই ধরনের অভিযোগ করেন। তাদের দাবি, জাহেদ আহমদ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মদদ দিচ্ছেন। এ কারণে বিক্ষোভ মিছিলে জাহেদের নাম উল্লেখ করে স্লোগান দেওয়া হয়।
বিক্ষোভকারীরা হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
এদিকে, জাহেদ আহমদের মালিকানাধীন মেসার্স আমিন ভ্যারাইটিজ স্টোরে অস্ত্র রয়েছে-এমন অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে তল্লাশিতে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অস্ত্র থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
