বাগেরহাটের রামপালে যুবদল নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা মহিদুল ইসলাম (৩২)-এর ওপর সংঘটিত হত্যাচেষ্টার এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় দ্রুত বিচার দাবি উঠেছে।
২০২৫ সালের এই দিনে তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হামলায় গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় তার দুই পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং তিনি চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও তিনি এখনও শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, হামলাকারীরা রাতের অন্ধকারে তাকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করে। এ ঘটনায় পেড়িখালী ৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মাঝি, মোকসেদ শেখ, রবিউল ইসলাম শেখ, শফিকুল শেখ, জসিম মাঝি, ফজলু শেখ, সোলাইমান ফকির, হাসমত শেখ ও ওয়াহাব আলী মোল্লাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
মহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে বের হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তাকে মামলা তুলে নিতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
তিনি জানান, তিনি দীর্ঘদিন রামপালে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের পক্ষে কাজ করেছেন। হামলার পর প্রতিমন্ত্রী তার চিকিৎসা সহায়তায় পাশে ছিলেন বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মহিদুল ইসলাম চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত বিচার, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা সহায়তা এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
বাগেরহাটের রামপালে যুবদল নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা মহিদুল ইসলাম (৩২)-এর ওপর সংঘটিত হত্যাচেষ্টার এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার না হওয়ায় দ্রুত বিচার দাবি উঠেছে।
২০২৫ সালের এই দিনে তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের হামলায় গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়। হামলায় তার দুই পা ভেঙে দেওয়া হয় এবং তিনি চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। দীর্ঘ চিকিৎসার পরও তিনি এখনও শয্যাশায়ী অবস্থায় আছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, হামলাকারীরা রাতের অন্ধকারে তাকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করে। এ ঘটনায় পেড়িখালী ৬নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম মাঝি, মোকসেদ শেখ, রবিউল ইসলাম শেখ, শফিকুল শেখ, জসিম মাঝি, ফজলু শেখ, সোলাইমান ফকির, হাসমত শেখ ও ওয়াহাব আলী মোল্লাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
মহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মামলার আসামিরা বর্তমানে জামিনে বের হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তাকে মামলা তুলে নিতে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
তিনি জানান, তিনি দীর্ঘদিন রামপালে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের পক্ষে কাজ করেছেন। হামলার পর প্রতিমন্ত্রী তার চিকিৎসা সহায়তায় পাশে ছিলেন বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মহিদুল ইসলাম চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত বিচার, রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা সহায়তা এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
