তিন দফা দাবিতে সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মউশিক মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ।
সোমবার দুপুরে সংগঠনটির সভাপতি মাওলানা নুর হোসেন আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাজিদুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে কার্যালয়ের সামনে তারা সংবাদ সম্মেলনও করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা নুর হোসেন আজিজ। তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি জানান, ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি বর্তমানে ৮ম পর্যায়ে রয়েছে। এ পর্যন্ত কোটি কোটি শিক্ষার্থী এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষা লাভ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বর্তমানে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক ও কর্মচারী স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চিত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব শিক্ষক শুধু পাঠদানই নয়, সামাজিক সচেতনতা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, টিকাদান কর্মসূচি ও বিভিন্ন সরকারি বার্তা প্রচারেও ভূমিকা রাখছেন।
তবে দীর্ঘদিনের অবদানের পরও তাদের চাকরি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন নেতারা।
তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে প্রকল্পটি দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর, শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান এবং চাকরির স্থায়িত্বসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা কোনো অযৌক্তিক দাবি নয়, বরং দীর্ঘদিনের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
তিন দফা দাবিতে সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মউশিক মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ।
সোমবার দুপুরে সংগঠনটির সভাপতি মাওলানা নুর হোসেন আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাজিদুল ইসলামসহ নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন। পরে কার্যালয়ের সামনে তারা সংবাদ সম্মেলনও করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা নুর হোসেন আজিজ। তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পটি দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি জানান, ১৯৯৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি বর্তমানে ৮ম পর্যায়ে রয়েছে। এ পর্যন্ত কোটি কোটি শিক্ষার্থী এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষা লাভ করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
বর্তমানে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক ও কর্মচারী স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চিত অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব শিক্ষক শুধু পাঠদানই নয়, সামাজিক সচেতনতা, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, টিকাদান কর্মসূচি ও বিভিন্ন সরকারি বার্তা প্রচারেও ভূমিকা রাখছেন।
তবে দীর্ঘদিনের অবদানের পরও তাদের চাকরি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ করেন নেতারা।
তাদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে প্রকল্পটি দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর, শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান এবং চাকরির স্থায়িত্বসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা কোনো অযৌক্তিক দাবি নয়, বরং দীর্ঘদিনের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন।
