রাজশাহীর নওহাটা খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চাল আনলোডের সময় পাঁচটি ট্রাক আটক করে কাগজপত্র যাচাইয়ের ঘটনায় বিষয়টি সামনে আসে।
রোববার বিকেলে নওহাটা পুরাতন বাজারের ওএমএস ডিলার মমিনুল ইসলাম মিলন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী মাসুম দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। এমনকি তিনি নিজেই চাল সরবরাহের ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যা বিধিবহির্ভূত বলে দাবি করা হয়েছে।
ওএমএস ডিলার মমিনুল ইসলাম মিলন জানান, রোববার সকালে ৩০ কেজি ওজনের ৬৬৭ বস্তা করে মোট পাঁচটি ট্রাকে চাল গুদামে আনলোড করা হচ্ছিল। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন ট্রাকগুলো আটক করে কাগজপত্র দেখতে চান।
পরে ট্রাকের চালানপত্রে ‘মাসুম ট্রেডার্স’ খাজানগর, কুষ্টিয়ার নাম পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতিটি ট্রাকে একই পরিমাণ চালের হিসাব ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। চালানপত্রে গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী মাসুমের স্বাক্ষর রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহন আহমেদ বলেন, অভিযোগটি পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তদন্তের জন্য খাদ্য গুদামে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
রাজশাহীর নওহাটা খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। চাল আনলোডের সময় পাঁচটি ট্রাক আটক করে কাগজপত্র যাচাইয়ের ঘটনায় বিষয়টি সামনে আসে।
রোববার বিকেলে নওহাটা পুরাতন বাজারের ওএমএস ডিলার মমিনুল ইসলাম মিলন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী মাসুম দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে গুদামে ধান ও চাল সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। এমনকি তিনি নিজেই চাল সরবরাহের ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যা বিধিবহির্ভূত বলে দাবি করা হয়েছে।
ওএমএস ডিলার মমিনুল ইসলাম মিলন জানান, রোববার সকালে ৩০ কেজি ওজনের ৬৬৭ বস্তা করে মোট পাঁচটি ট্রাকে চাল গুদামে আনলোড করা হচ্ছিল। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন ট্রাকগুলো আটক করে কাগজপত্র দেখতে চান।
পরে ট্রাকের চালানপত্রে ‘মাসুম ট্রেডার্স’ খাজানগর, কুষ্টিয়ার নাম পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতিটি ট্রাকে একই পরিমাণ চালের হিসাব ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। চালানপত্রে গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী মাসুমের স্বাক্ষর রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহন আহমেদ বলেন, অভিযোগটি পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে তদন্তের জন্য খাদ্য গুদামে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সত্যতা মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
