রাজধানীর মুগদা এলাকায় খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক ব্যক্তির মরদেহের নিখোঁজ মাথাও উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় ও বয়স শনাক্ত করা যায়নি। উদ্ধার হওয়া মরদেহের খণ্ডিত অংশ ও মাথা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, মান্ডা প্রথম গলির আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে প্রথমে মরদেহের অংশগুলো উদ্ধার করা হয়। সেখানে সাতটি টুকরো পাওয়া গেলেও মাথা ছিল না। পরে পাশের ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং ভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
রাজধানীর মুগদা এলাকায় খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক ব্যক্তির মরদেহের নিখোঁজ মাথাও উদ্ধার করেছে পুলিশ, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার একটি বাড়ির বেজমেন্ট থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় সাত টুকরো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে বিচ্ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ জানিয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় ও বয়স শনাক্ত করা যায়নি। উদ্ধার হওয়া মরদেহের খণ্ডিত অংশ ও মাথা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুগদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জালাল উদ্দিন বলেন, মান্ডা প্রথম গলির আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর শাহনাজ ভিলার বেজমেন্ট থেকে প্রথমে মরদেহের অংশগুলো উদ্ধার করা হয়। সেখানে সাতটি টুকরো পাওয়া গেলেও মাথা ছিল না। পরে পাশের ময়লার স্তূপে তল্লাশি চালিয়ে মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল এবং ভুঁড়ি বের হয়ে ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ছয় দিন আগে অন্য কোনো স্থানে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে পলিথিনে ভরে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ।
