ওয়াং ই বলেছেন, মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি, রাজনৈতিক আস্থা জোরদার এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করতে প্রস্তুত চীন।
শুক্রবার (৫ জুন) বেইজিংয়ে টিন মং সোয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন সম্প্রদায় গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে মিয়ানমারের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, চীন সবসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করে এবং মিয়ানমারের জনগণের নিজস্ব উন্নয়নপথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে সম্মান করে।
তিনি সীমান্তপারের অপরাধ, অনলাইন জুয়া এবং টেলিযোগাযোগভিত্তিক প্রতারণা দমনে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে টিন মং সোয়ে বলেন, মিয়ানমার দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীন নীতি’ অনুসরণ করে এবং চীনের প্রস্তাবিত বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগকে সমর্থন জানায়।
তিনি জানান, মিয়ানমারের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও বাড়াতে, মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্প এগিয়ে নিতে এবং আরও বেশি চীনা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আগ্রহী।
এছাড়া জাতিসংঘ, আসিয়ান এবং লানছাং-মেখং সহযোগিতা কাঠামোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে চীনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
ওয়াং ই বলেছেন, মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি, রাজনৈতিক আস্থা জোরদার এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করতে প্রস্তুত চীন।
শুক্রবার (৫ জুন) বেইজিংয়ে টিন মং সোয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের মধ্যে অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন সম্প্রদায় গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে মিয়ানমারের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, চীন সবসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করে এবং মিয়ানমারের জনগণের নিজস্ব উন্নয়নপথ বেছে নেওয়ার অধিকারকে সম্মান করে।
তিনি সীমান্তপারের অপরাধ, অনলাইন জুয়া এবং টেলিযোগাযোগভিত্তিক প্রতারণা দমনে দুই দেশের যৌথ সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে টিন মং সোয়ে বলেন, মিয়ানমার দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীন নীতি’ অনুসরণ করে এবং চীনের প্রস্তাবিত বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগকে সমর্থন জানায়।
তিনি জানান, মিয়ানমারের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও বাড়াতে, মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্প এগিয়ে নিতে এবং আরও বেশি চীনা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আগ্রহী।
এছাড়া জাতিসংঘ, আসিয়ান এবং লানছাং-মেখং সহযোগিতা কাঠামোসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে চীনের সঙ্গে সমন্বয় আরও জোরদার করার প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।
