বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

খেলা

এক শটে বদলে যায় ম্যাচের ভাগ্য

মিনেইরোর সেই জাদু: মেসির গোল আজও বিশ্বকাপের বিস্ময়

মিনেইরোর সেই জাদু: মেসির গোল আজও বিশ্বকাপের বিস্ময়
ছবি: সংগৃহীত

২০১৪ সালের ফিফা ওয়াল্ড কাপ ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যা সময় পেরিয়ে কিংবদন্তি হয়ে গেছে। ঠিক তেমনই এক স্মরণীয় অধ্যায় লিখেছিলেন লিওনেল মেসি—ইরানের বিপক্ষে তার সেই শেষ মুহূর্তের গোল।

ব্রাজিলের মিনেইরো স্টেডিয়াম-এ ম্যাচ তখন প্রায় শেষের পথে। পুরো সময়জুড়ে দুর্দান্ত রক্ষণে আর্জেন্টিনাকে আটকে রেখেছিল ইরান জাতীয় ফুটবল দল। গোলশূন্য ড্র যেন সময়ের অপেক্ষা।

কিন্তু ৯০+১ মিনিটে বদলে যায় সবকিছু।

বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে কাট করেন মেসি। সামনে প্রতিপক্ষের চাপ, সময় প্রায় শেষ—তবুও ক্ষণিকের ফাঁক তৈরি করে বাঁ পায়ের এক নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোলরক্ষক আলিরেজা হাঘিঘি ডাইভ দিয়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।

এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় ইরান, আর উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল

এই গোলটি শুধু ম্যাচ জেতায়নি, বরং আর্জেন্টিনার নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল। ম্যাচ শেষে কোচ আলেহান্দ্রো সাবেয়া ইরানের প্রশংসা করলেও স্বীকার করেন—পার্থক্য গড়ে দিয়েছে একজনই, মেসি।

তার ভাষায়, “তাদের একটি জিনিস ছিল না—মেসি। সে একজন জিনিয়াস।”

পুরো ম্যাচে দ্বৈত পাহারায় থেকেও শেষ মুহূর্তে সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবারও প্রমাণ করেছিলেন কেন তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। সেই গোল ছিল নিখুঁত দক্ষতা, সময়জ্ঞান আর প্রতিভার এক অনন্য সমন্বয়।

এক যুগ পেরিয়ে গেলেও মিনেইরোর সেই রাত আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। কারণ, সেটি শুধু একটি গোল নয়—এটি ছিল লিওনেল মেসি নামের এক জাদুকরের সৃষ্টি করা এক অনন্ত স্মৃতি।

#বিশ্বকাপ২০২৬ #মেসি #ফুটবল_ইতিহাস

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


মিনেইরোর সেই জাদু: মেসির গোল আজও বিশ্বকাপের বিস্ময়

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

২০১৪ সালের ফিফা ওয়াল্ড কাপ ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আছে, যা সময় পেরিয়ে কিংবদন্তি হয়ে গেছে। ঠিক তেমনই এক স্মরণীয় অধ্যায় লিখেছিলেন লিওনেল মেসি—ইরানের বিপক্ষে তার সেই শেষ মুহূর্তের গোল।

ব্রাজিলের মিনেইরো স্টেডিয়াম-এ ম্যাচ তখন প্রায় শেষের পথে। পুরো সময়জুড়ে দুর্দান্ত রক্ষণে আর্জেন্টিনাকে আটকে রেখেছিল ইরান জাতীয় ফুটবল দল। গোলশূন্য ড্র যেন সময়ের অপেক্ষা।

কিন্তু ৯০+১ মিনিটে বদলে যায় সবকিছু।

বক্সের বাইরে বল পেয়ে ডান দিক থেকে ভেতরে কাট করেন মেসি। সামনে প্রতিপক্ষের চাপ, সময় প্রায় শেষ—তবুও ক্ষণিকের ফাঁক তৈরি করে বাঁ পায়ের এক নিখুঁত শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোলরক্ষক আলিরেজা হাঘিঘি ডাইভ দিয়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।

এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় ইরান, আর উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল

এই গোলটি শুধু ম্যাচ জেতায়নি, বরং আর্জেন্টিনার নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল। ম্যাচ শেষে কোচ আলেহান্দ্রো সাবেয়া ইরানের প্রশংসা করলেও স্বীকার করেন—পার্থক্য গড়ে দিয়েছে একজনই, মেসি।

তার ভাষায়, “তাদের একটি জিনিস ছিল না—মেসি। সে একজন জিনিয়াস।”

পুরো ম্যাচে দ্বৈত পাহারায় থেকেও শেষ মুহূর্তে সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবারও প্রমাণ করেছিলেন কেন তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। সেই গোল ছিল নিখুঁত দক্ষতা, সময়জ্ঞান আর প্রতিভার এক অনন্য সমন্বয়।

এক যুগ পেরিয়ে গেলেও মিনেইরোর সেই রাত আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। কারণ, সেটি শুধু একটি গোল নয়—এটি ছিল লিওনেল মেসি নামের এক জাদুকরের সৃষ্টি করা এক অনন্ত স্মৃতি।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত