মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক গাড়িচালকের ওপর হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, রূপার চেইন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ এনামুল হক হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর বাঘাসুরা ইউনিয়নের কাউরা গ্রামের তাউস
মিয়া ছেলে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গেলা বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি ময়মনসিংহ থেকে মালামাল নামিয়ে গাড়ি ধোয়ার জন্য কালিগঞ্জ বাজারে যান। এ সময় নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কবির
মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল মিয়া মিয়ার নেতুত্বে কয়েকজন অজ্ঞাত বখাটে যুবক অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা, প্রায় ২৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি টেকনো ক্যামন-৪০ মোবাইল ফোন, গলায় থাকা একটি রূপার চেইন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মানিব্যাগে নগদ ২ হাজার ৭৭০ টাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল বলে তিনি জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে তার আত্মীয় মোহাম্মদ জাকির মিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এক গাড়িচালকের ওপর হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, রূপার চেইন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ এনামুল হক হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর বাঘাসুরা ইউনিয়নের কাউরা গ্রামের তাউস
মিয়া ছেলে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গেলা বুধবার বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তিনি ময়মনসিংহ থেকে মালামাল নামিয়ে গাড়ি ধোয়ার জন্য কালিগঞ্জ বাজারে যান। এ সময় নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কবির
মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল মিয়া মিয়ার নেতুত্বে কয়েকজন অজ্ঞাত বখাটে যুবক অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ ৬০ হাজার টাকা, প্রায় ২৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি টেকনো ক্যামন-৪০ মোবাইল ফোন, গলায় থাকা একটি রূপার চেইন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মানিব্যাগে নগদ ২ হাজার ৭৭০ টাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল বলে তিনি জানান।
ঘটনার খবর পেয়ে তার আত্মীয় মোহাম্মদ জাকির মিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ছিনিয়ে নেওয়া মালামাল উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংবাদ লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
