রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

র‍্যাব-৪ ও র‍্যাব-৯ এর যৌথ অভিযান

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ: ঢাকায় লুকিয়ে থাকা আসামি গ্রেফতার

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ: ঢাকায় লুকিয়ে থাকা আসামি গ্রেফতার
ছবি : চেকপোস্ট

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার একমাত্র আসামি হোসাইন আহমেদকে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে র‍্যাব-৯ (সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ) এবং র‍্যাব-৪ (সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্প, ঢাকা) এর যৌথ অভিযানে হেমায়েতপুর আর্জেন্ট পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ভিকটিম দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি মাদ্রাসার ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনার পথে অভিযুক্তের সঙ্গে তার পরিচয় থেকে সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ৩ জুন সন্ধ্যায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সিএনজিতে তুলে ছাতক হয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরবর্তীতে মিরপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে গিয়ে ৪ জুন রাত ১০টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরে ভিকটিমকে টাঙ্গাইলে পাঠানো হয় এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে টাকা জোগাড়ের কথা বলা হয়।

পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি জানান, আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

#সুনামগঞ্জ #র‍্যাব_গ্রেফতার #নারী_শিশু_নির্যাতন

চেকপোস্ট

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬


মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ: ঢাকায় লুকিয়ে থাকা আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬

featured Image

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার একমাত্র আসামি হোসাইন আহমেদকে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে র‍্যাব-৯ (সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ) এবং র‍্যাব-৪ (সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্প, ঢাকা) এর যৌথ অভিযানে হেমায়েতপুর আর্জেন্ট পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, ভিকটিম দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি মাদ্রাসার ছাত্রী ছিলেন। পড়াশোনার পথে অভিযুক্তের সঙ্গে তার পরিচয় থেকে সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ৩ জুন সন্ধ্যায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে সিএনজিতে তুলে ছাতক হয়ে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পরবর্তীতে মিরপুরে এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে গিয়ে ৪ জুন রাত ১০টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। পরে ভিকটিমকে টাঙ্গাইলে পাঠানো হয় এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে টাকা জোগাড়ের কথা বলা হয়।

পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে দোয়ারাবাজার থানায় মামলা দায়ের করে। এরপর র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম শহীদুল ইসলাম সোহাগ। তিনি জানান, আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত