যশোরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে প্রাণঘাতী ব্যাধি এইচআইভি (এইডস) সংক্রমণ। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই জেলায় নতুন করে ৩৫ জন এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের এআরটি (ART) সেন্টার সূত্রে জানা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ প্রজন্ম, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং বিদেশফেরত প্রবাসী।
সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে জেলায় মোট আক্রান্ত ছিলেন ৩২ জন। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ জনে। আর চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই শনাক্ত হয়েছেন ৩৫ জন।
আক্রান্তদের বেশিরভাগের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
ঝুঁকিপূর্ণ তথ্য ও গবেষণা
এআরটি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে আক্রান্ত ৩৫ জনের মধ্যে ৮ জন প্রবাসী, ৫ জন কলেজ শিক্ষার্থী এবং ১০ জন সমকামী। পুরুষদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিরাপদ যৌন আচরণ এবং সচেতনতার অভাবই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
চিকিৎসকদের সতর্কতা
যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আহসান কবির বাপ্পি জানান, চলতি বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ শতাধিক ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৩৫ জন পজিটিভ শনাক্ত হন এবং ৬ জনের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, সাধারণ জনগণের মধ্যেও সংক্রমণ বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এখনই ব্যাপক কাউন্সেলিং না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞ মত
যশোরের অতিরিক্ত সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাকিব রাসেল বলেন, অনিরাপদ জীবনযাপন ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এই সংক্রমণ বৃদ্ধির মূল কারণ।

রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
যশোরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে প্রাণঘাতী ব্যাধি এইচআইভি (এইডস) সংক্রমণ। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসেই জেলায় নতুন করে ৩৫ জন এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের এআরটি (ART) সেন্টার সূত্রে জানা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ প্রজন্ম, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং বিদেশফেরত প্রবাসী।
সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে জেলায় মোট আক্রান্ত ছিলেন ৩২ জন। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ জনে। আর চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসেই শনাক্ত হয়েছেন ৩৫ জন।
আক্রান্তদের বেশিরভাগের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।
ঝুঁকিপূর্ণ তথ্য ও গবেষণা
এআরটি সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে আক্রান্ত ৩৫ জনের মধ্যে ৮ জন প্রবাসী, ৫ জন কলেজ শিক্ষার্থী এবং ১০ জন সমকামী। পুরুষদের মধ্যে সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিরাপদ যৌন আচরণ এবং সচেতনতার অভাবই সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
চিকিৎসকদের সতর্কতা
যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আহসান কবির বাপ্পি জানান, চলতি বছরের জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ১২ শতাধিক ব্যক্তির রক্ত পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে ৩৫ জন পজিটিভ শনাক্ত হন এবং ৬ জনের মৃত্যু হয়।
তিনি বলেন, সাধারণ জনগণের মধ্যেও সংক্রমণ বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এখনই ব্যাপক কাউন্সেলিং না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞ মত
যশোরের অতিরিক্ত সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাকিব রাসেল বলেন, অনিরাপদ জীবনযাপন ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এই সংক্রমণ বৃদ্ধির মূল কারণ।
