যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় হরিহর নদীর মাটি নিলাম বিক্রির সমঝোতার অতিরিক্ত টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১ মে) বেলা ১১টার দিকে ঘটনার বিচারের দাবিতে জামায়াতের স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, হরিহর নদীর খননের পর দুই তীরের অতিরিক্ত মাটি নিলামে বিক্রির জন্য আহ্বান করা হয়। বৃহস্পতিবার চারটি লটে প্রায় ৫০ লাখ ঘনফুট মাটি প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি হয়, যেখানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।
নিলামে চারটি লটে আলাদা আলাদা দরদাতারা মাটি কিনে নেন। পরে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে দুই পক্ষের ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা লাভে মাটি পুনরায় বিক্রি করেন বলে জানা যায়। সেই টাকা উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণের সময়ই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় অপেক্ষমাণ কয়েকশ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয় এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, নায়েবে আমির মহিউল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সালিমুন হোসেন, আল মামুনসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, জামায়াতের হামলায় তাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াত নেতারা বিএনপিকে হামলার জন্য দায়ী করেছেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়, তাদের কার্যালয়ের সামনে হামলা চালানো হয়েছে।
সমাবেশে গাজী এনামুল হক বলেন, তাদের কর্মীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
মণিরামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, এখনো কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় হরিহর নদীর মাটি নিলাম বিক্রির সমঝোতার অতিরিক্ত টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (১ মে) বেলা ১১টার দিকে ঘটনার বিচারের দাবিতে জামায়াতের স্থানীয় সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, হরিহর নদীর খননের পর দুই তীরের অতিরিক্ত মাটি নিলামে বিক্রির জন্য আহ্বান করা হয়। বৃহস্পতিবার চারটি লটে প্রায় ৫০ লাখ ঘনফুট মাটি প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি হয়, যেখানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।
নিলামে চারটি লটে আলাদা আলাদা দরদাতারা মাটি কিনে নেন। পরে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে দুই পক্ষের ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত ১০ লাখ টাকা লাভে মাটি পুনরায় বিক্রি করেন বলে জানা যায়। সেই টাকা উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণের সময়ই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় অপেক্ষমাণ কয়েকশ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয় এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, নায়েবে আমির মহিউল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা সালিমুন হোসেন, আল মামুনসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু দাবি করেন, জামায়াতের হামলায় তাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াত নেতারা বিএনপিকে হামলার জন্য দায়ী করেছেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়, তাদের কার্যালয়ের সামনে হামলা চালানো হয়েছে।
সমাবেশে গাজী এনামুল হক বলেন, তাদের কর্মীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
মণিরামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, এখনো কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
