সুনামগঞ্জের বৌলাই নদীতে চলন্ত হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শিশু পর্যটক রুকাইয়া নুরের (১০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর রোববার (২৩ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে বৌলাই নদীর পিরোজপুর গ্রাম সংলগ্ন এলাকা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার গল চামোট ২ নম্বর সড়ক এলাকার বাসিন্দা ডা. শাহনুর রহমানের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) রুকাইয়া নুরসহ প্রায় ২০ জন পর্যটকের একটি দল ‘সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা’ নামের একটি হাউসবোটে করে মধ্যনগর থেকে যাদুকাটা নদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বিকেল আনুমানিক ২টার দিকে বোটটি বৌলাই নদীর দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ শিশুটি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। সঙ্গে থাকা পর্যটকরা তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
খবর পেয়ে ওই দিন বিকেল ৪টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল অভিযান শুরু করে। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় টানা দুই দিনেও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রোববার ভোরে পিরোজপুর গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদীতে স্থানীয়রা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, ঘটনার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। ভোরে মরদেহ ভেসে উঠলে পুলিশ তা উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিশু রুকাইয়ার মর্মান্তিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও সঙ্গে থাকা পর্যটক দলের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জের বৌলাই নদীতে চলন্ত হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শিশু পর্যটক রুকাইয়া নুরের (১০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর রোববার (২৩ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে বৌলাই নদীর পিরোজপুর গ্রাম সংলগ্ন এলাকা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার গল চামোট ২ নম্বর সড়ক এলাকার বাসিন্দা ডা. শাহনুর রহমানের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) রুকাইয়া নুরসহ প্রায় ২০ জন পর্যটকের একটি দল ‘সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা’ নামের একটি হাউসবোটে করে মধ্যনগর থেকে যাদুকাটা নদীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
বিকেল আনুমানিক ২টার দিকে বোটটি বৌলাই নদীর দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ শিশুটি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। সঙ্গে থাকা পর্যটকরা তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
খবর পেয়ে ওই দিন বিকেল ৪টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল অভিযান শুরু করে। তবে নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় টানা দুই দিনেও শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রোববার ভোরে পিরোজপুর গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত নদীতে স্থানীয়রা একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, ঘটনার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। ভোরে মরদেহ ভেসে উঠলে পুলিশ তা উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শিশু রুকাইয়ার মর্মান্তিক মৃত্যুতে তার পরিবার ও সঙ্গে থাকা পর্যটক দলের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
