সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ফান্দাউক, চাতলপাড়, নূরপুর, পূর্বভাগ, গুনিয়াউক, হরিণবেড়, ভলাকুট, কুলিকুন্ডা, চাপড়তলা ও নাসিরনগর সদরসহ বিভিন্ন পশুর হাটে সকাল থেকেই উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্রেতা ঈদের আগ মুহূর্তে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই পশু কিনছেন।
স্থানীয় খামারি ও বিক্রেতারা জানান, এবার ভারতীয় গরু না আসায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন। তবে গো-খাদ্য, শ্রমিক মজুরি ও পশু লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরুর দামও কিছুটা বেশি। তারা জানান, পশুগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করা হয়েছে। গরুকে খাওয়ানো হয়েছে ঘাস, বিচালি, খৈল, ভুসি ও ভুট্টা। কোনো ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়নি।
এক বিক্রেতা বলেন, “বৃষ্টি থাকলেও বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। সকাল থেকেই অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। ঈদের আগের কয়েকদিনে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছি।”
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সামিউল বাছির বলেন, “বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। স্থায়ী ও মৌসুমি খামারিদের পাশাপাশি অনেক পরিবার বাড়িতেও কোরবানির পশু পালন করেছেন। এবার চাহিদার তুলনায় পশু বেশি থাকায় সংকটের আশঙ্কা নেই।”

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ফান্দাউক, চাতলপাড়, নূরপুর, পূর্বভাগ, গুনিয়াউক, হরিণবেড়, ভলাকুট, কুলিকুন্ডা, চাপড়তলা ও নাসিরনগর সদরসহ বিভিন্ন পশুর হাটে সকাল থেকেই উপচেপড়া ভিড়। বিশেষ করে দেশি জাতের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্রেতা ঈদের আগ মুহূর্তে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই পশু কিনছেন।
স্থানীয় খামারি ও বিক্রেতারা জানান, এবার ভারতীয় গরু না আসায় দেশীয় খামারিরা কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন। তবে গো-খাদ্য, শ্রমিক মজুরি ও পশু লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরুর দামও কিছুটা বেশি। তারা জানান, পশুগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করা হয়েছে। গরুকে খাওয়ানো হয়েছে ঘাস, বিচালি, খৈল, ভুসি ও ভুট্টা। কোনো ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়নি।
এক বিক্রেতা বলেন, “বৃষ্টি থাকলেও বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। সকাল থেকেই অনেক গরু বিক্রি হয়েছে। ঈদের আগের কয়েকদিনে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছি।”
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সামিউল বাছির বলেন, “বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। স্থায়ী ও মৌসুমি খামারিদের পাশাপাশি অনেক পরিবার বাড়িতেও কোরবানির পশু পালন করেছেন। এবার চাহিদার তুলনায় পশু বেশি থাকায় সংকটের আশঙ্কা নেই।”
