সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশী ক্রিম ও ক্যাপসুল উদ্ধার করেছে র্যাব-৯ এর সিপিসি-৩ ইউনিট।
শনিবার (২ মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, সলুকাবাদ ইউনিয়নের চেংবিল এলাকার একটি ঝিঙা ক্ষেতের ভেতর কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ ভারতীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দল দুপুর আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা ২–৩ জন ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে দুইটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে ৩৪০ পিস বিদেশী ক্রিম এবং ১০ হাজার ৬০০ পিস ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টাকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত পণ্যের সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে র্যাবের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে অজ্ঞাতনামা ২–৩ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশী ক্রিম ও ক্যাপসুল উদ্ধার করেছে র্যাব-৯ এর সিপিসি-৩ ইউনিট।
শনিবার (২ মে) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, সলুকাবাদ ইউনিয়নের চেংবিল এলাকার একটি ঝিঙা ক্ষেতের ভেতর কতিপয় ব্যক্তি অবৈধ ভারতীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দল দুপুর আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা ২–৩ জন ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে দুইটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে ৩৪০ পিস বিদেশী ক্রিম এবং ১০ হাজার ৬০০ পিস ক্যাপসুল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টাকা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহীদুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত পণ্যের সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ বিষয়ে র্যাবের তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে অজ্ঞাতনামা ২–৩ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ অনুযায়ী মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
