রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ব্যবসা-বাণিজ্য

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে বড় দুর্নীতি

বিএটি বাংলাদেশে ৩ লাখ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নথি তলব দুদকের

বিএটি বাংলাদেশে ৩ লাখ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নথি তলব দুদকের
ছবি: সংগৃহীত

বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশের অফিসের বিরুদ্ধে গত ৫৫ বছরে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শনিবার (২৩ মে) দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযোগটি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মো. আক্তারুল ইসলাম জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি করাচিতে কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কারখানা স্থাপন করে। স্বাধীনতার পর এসব সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসার কথা থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাব ও জালিয়াতির মাধ্যমে তা বহুজাতিক কোম্পানি বিএটির নিয়ন্ত্রণে যায় বলে দাবি করা হয়।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেট রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারি মালিকানায় স্থানান্তর করে, যার ফলে গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে বাংলাদেশ ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে পড়েছে।

দুদকের তদন্ত শেষ হলে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

#দুদক #বিএটি #দুর্নীতি_তদন্ত

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


বিএটি বাংলাদেশে ৩ লাখ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নথি তলব দুদকের

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

বহুজাতিক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) বাংলাদেশের অফিসের বিরুদ্ধে গত ৫৫ বছরে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে নথিপত্র তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

শনিবার (২৩ মে) দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযোগটি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে জালিয়াতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্তে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মো. আক্তারুল ইসলাম জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পাকিস্তান টোব্যাকো কোম্পানি করাচিতে কার্যক্রম শুরু করে এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় কারখানা স্থাপন করে। স্বাধীনতার পর এসব সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসার কথা থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাব ও জালিয়াতির মাধ্যমে তা বহুজাতিক কোম্পানি বিএটির নিয়ন্ত্রণে যায় বলে দাবি করা হয়।

আরও অভিযোগ করা হয়েছে, একটি সিন্ডিকেট রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারি মালিকানায় স্থানান্তর করে, যার ফলে গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে বাংলাদেশ ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে পড়েছে।

দুদকের তদন্ত শেষ হলে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত