রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

তথ্য ফাঁস আল জাজিরা

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলে অস্ত্র দিয়েছে ৫১ দেশ! তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলে অস্ত্র দিয়েছে ৫১ দেশ! তালিকায় দ্বিতীয় ভারত
ছবি: সংগৃহীত

গাজা যুদ্ধ চলাকালে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে নিন্দা চললেও, একই সময়ে বহু দেশ গোপনে ইসরায়েলে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

আল জাজিরার মাসব্যাপী অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৫১টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করেছে। এই তালিকায় অস্ত্র সরবরাহে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) গাজায় গণহত্যার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করলেও এরপরও ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত ছিল। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন দেশ থেকে গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সাঁজোয়া যানসহ বিপুল সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়।

আল জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র, এরপর ভারত, রোমানিয়া, তাইওয়ান ও চেক প্রজাতন্ত্র। মোট অস্ত্র আমদানির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের দিক থেকে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইসরায়েলে হাজারেরও বেশি সামরিক চালান প্রবেশ করে, যার আর্থিক মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। যুদ্ধ চলাকালে অস্ত্র আমদানির পরিমাণ আরও বেড়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গণহত্যা প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় থাকা দেশগুলোর ওপর দায়িত্ব রয়েছে এমন পরিস্থিতিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা। তবে বাস্তবে অনেক দেশ প্রকাশ্যে নিষেধাজ্ঞার কথা বললেও, আড়ালে সরবরাহ অব্যাহত রাখে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

#ভারত_যুক্তরাষ্ট্র #ইসরায়েল #গাজাযুদ্ধ #আলজাজিরা #অস্ত্ররপ্তানি

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলে অস্ত্র দিয়েছে ৫১ দেশ! তালিকায় দ্বিতীয় ভারত

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

গাজা যুদ্ধ চলাকালে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে নিন্দা চললেও, একই সময়ে বহু দেশ গোপনে ইসরায়েলে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

আল জাজিরার মাসব্যাপী অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৫১টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করেছে। এই তালিকায় অস্ত্র সরবরাহে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) গাজায় গণহত্যার ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করলেও এরপরও ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত ছিল। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন দেশ থেকে গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সাঁজোয়া যানসহ বিপুল সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়।

আল জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইসরায়েলে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র, এরপর ভারত, রোমানিয়া, তাইওয়ান ও চেক প্রজাতন্ত্র। মোট অস্ত্র আমদানির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের দিক থেকে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ইসরায়েলে হাজারেরও বেশি সামরিক চালান প্রবেশ করে, যার আর্থিক মূল্য কয়েক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। যুদ্ধ চলাকালে অস্ত্র আমদানির পরিমাণ আরও বেড়ে যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গণহত্যা প্রতিরোধ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় থাকা দেশগুলোর ওপর দায়িত্ব রয়েছে এমন পরিস্থিতিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা। তবে বাস্তবে অনেক দেশ প্রকাশ্যে নিষেধাজ্ঞার কথা বললেও, আড়ালে সরবরাহ অব্যাহত রাখে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত