শনিবার, ০২ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আরও

বেগুন-কাঁকরোলসহ প্রায় সবজিতেই চড়া বাজার

কাঁকরোল-বেগুনে আগুন, সবজির দামে নাভিশ্বাস

কাঁকরোল-বেগুনে আগুন, সবজির দামে নাভিশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে সবজির দামে বড় ধরনের উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির সকালে বাজার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় গোল বেগুন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোলের দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় পৌঁছেছে।

অন্যান্য সবজির মধ্যে টমেটো ৬০–৭০ টাকা, বরবটি ৬০–৮০ টাকা, পটোল ৬০–৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০–৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০–৬০ টাকা, করলা ৬০–৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম উঠেছে ১২০ টাকা কেজি। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০–৫০ টাকায়।

মুরগির বাজারেও স্বস্তি নেই। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮৫–১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরার জাকের গলির বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, ভোরে বৃষ্টির পর জলাবদ্ধ রাস্তায় হাঁটতে কষ্ট হয়েছে। বাজারে গিয়ে দেখি বেগুনের দাম আকাশছোঁয়া।

মালিবাগ হাজীপাড়ার গৃহিণী রুবিনা আক্তার জানান, জলাবদ্ধতার কারণে বাজারে যেতেই কষ্ট হচ্ছে। এরপর সবজির দাম শুনে আরও হতাশ হতে হচ্ছে। তার ভাষায়, “এক কেজি কাঁকরোলই ১২০ টাকার নিচে নেই।”

খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমলেও বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। সাধারণ মানুষের জন্য এটি কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে।

রামপুরা বাজারের বিক্রেতা আব্দুল মালেক জানান, বৃষ্টিতে সরবরাহ কমে গেছে, পরিবহন খরচ ও জ্বালানি ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার ধারণা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সামনে আরও দাম বাড়তে পারে।

#সবজির_দাম #বাজার_দর #ঢাকা_বাজার

চেকপোস্ট

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


কাঁকরোল-বেগুনে আগুন, সবজির দামে নাভিশ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬

featured Image

টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে সবজির দামে বড় ধরনের উর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটির সকালে বাজার করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন বেগুন কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় গোল বেগুন ১৩০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোলের দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় পৌঁছেছে।

অন্যান্য সবজির মধ্যে টমেটো ৬০–৭০ টাকা, বরবটি ৬০–৮০ টাকা, পটোল ৬০–৭০ টাকা, ঝিঙে ৬০–৭০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০–৬০ টাকা, করলা ৬০–৮০ টাকা এবং লাউ প্রতিটি ৬০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম উঠেছে ১২০ টাকা কেজি। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০–৫০ টাকায়।

মুরগির বাজারেও স্বস্তি নেই। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৮৫–১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩৩০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরার জাকের গলির বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, ভোরে বৃষ্টির পর জলাবদ্ধ রাস্তায় হাঁটতে কষ্ট হয়েছে। বাজারে গিয়ে দেখি বেগুনের দাম আকাশছোঁয়া।

মালিবাগ হাজীপাড়ার গৃহিণী রুবিনা আক্তার জানান, জলাবদ্ধতার কারণে বাজারে যেতেই কষ্ট হচ্ছে। এরপর সবজির দাম শুনে আরও হতাশ হতে হচ্ছে। তার ভাষায়, “এক কেজি কাঁকরোলই ১২০ টাকার নিচে নেই।”

খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমলেও বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। সাধারণ মানুষের জন্য এটি কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছে।

রামপুরা বাজারের বিক্রেতা আব্দুল মালেক জানান, বৃষ্টিতে সরবরাহ কমে গেছে, পরিবহন খরচ ও জ্বালানি ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার ধারণা, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সামনে আরও দাম বাড়তে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত