২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার সিদ্ধান্তের ভূমিকার কথা উঠে আসার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন তিনি।
‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি?’ শিরোনামের পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি মূলত তারই ছিল। বিষয়টি তিনি এর আগেও একাধিকবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। তাই এতদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ভারতে না যাওয়ার পেছনে নিরাপত্তা শঙ্কা ও বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল। তার দাবি, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।
আসিফ নজরুলের ভাষ্য, বাংলাদেশ দল ভারতে গেলে ক্রিকেটার, সাংবাদিক ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা ছিল। তিনি দাবি করেন, সে সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিবেদনে নিরাপত্তা নিয়ে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল।
এদিকে আইসিসি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জানিয়েছিল, বিভিন্ন নিরাপত্তা মূল্যায়ন ও স্বাধীন পর্যালোচনায় ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা, সংবাদকর্মী ও সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তাঝুঁকি পাওয়া যায়নি। পরে বাংলাদেশ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অংশ না নেওয়ায় স্কটল্যান্ডকে বিকল্প দল হিসেবে নেওয়া হয়।
আসিফ নজরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার চেষ্টা করেছিল এবং কিছু দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, বাংলাদেশকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের মর্যাদা, ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে তৎকালীন সময়ে এমন কথা বলা হলেও পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন উদ্যোগে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও দাবি করেন আসিফ নজরুল।
শেষে তিনি বলেন, ছোট দেশ বলে কেউ ইচ্ছেমতো অপমান করবে আর বাংলাদেশ তা মেনে নেবে এমন প্রত্যাশা ঠিক নয়। তিনি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের পক্ষে বলেও উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ভারত সফর না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার সিদ্ধান্তের ভূমিকার কথা উঠে আসার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে বক্তব্য দেন তিনি।
‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: কেন ভারতে যাইনি?’ শিরোনামের পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা হিসেবে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তটি মূলত তারই ছিল। বিষয়টি তিনি এর আগেও একাধিকবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন। তাই এতদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ভারতে না যাওয়ার পেছনে নিরাপত্তা শঙ্কা ও বাংলাদেশের প্রতি অবমাননার প্রতিবাদকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল। তার দাবি, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।
আসিফ নজরুলের ভাষ্য, বাংলাদেশ দল ভারতে গেলে ক্রিকেটার, সাংবাদিক ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা ছিল। তিনি দাবি করেন, সে সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) একটি প্রতিবেদনে নিরাপত্তা নিয়ে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল।
এদিকে আইসিসি ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে জানিয়েছিল, বিভিন্ন নিরাপত্তা মূল্যায়ন ও স্বাধীন পর্যালোচনায় ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তা, সংবাদকর্মী ও সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তাঝুঁকি পাওয়া যায়নি। পরে বাংলাদেশ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অংশ না নেওয়ায় স্কটল্যান্ডকে বিকল্প দল হিসেবে নেওয়া হয়।
আসিফ নজরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ অন্য কোনো ভেন্যুতে বিশ্বকাপ খেলার চেষ্টা করেছিল এবং কিছু দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, বাংলাদেশকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কোনো যোগাযোগ করা হয়নি।
তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের মর্যাদা, ক্রিকেটার-সাংবাদিক-সমর্থকদের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।
বিশ্বকাপ না খেললে বিদেশি দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে তৎকালীন সময়ে এমন কথা বলা হলেও পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন উদ্যোগে সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও দাবি করেন আসিফ নজরুল।
শেষে তিনি বলেন, ছোট দেশ বলে কেউ ইচ্ছেমতো অপমান করবে আর বাংলাদেশ তা মেনে নেবে এমন প্রত্যাশা ঠিক নয়। তিনি সমমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের পক্ষে বলেও উল্লেখ করেন।
