হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শেখ জায়দুল (২৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার আলম খানসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিহত জায়দুলের মা রাহিনুর বেগম বাদী হয়ে বানিয়াচং থানায় মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার মন্দরী গ্রামের খেলার মাঠসংলগ্ন একটি জায়গা কিছুদিন আগে ক্রয় করেন মৃত শেখ লোকমান মিয়ার ছেলে শেখ জায়দুল মিয়া। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ওই জায়গায় বেড়া দিতে গেলে মৃত মাহতাব খানের ছেলে মজিদ খান বাধা দেন। এ নিয়ে জায়দুল ও মজিদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মজিদ খান জায়দুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জায়দুলের গতিরোধ করা হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১ নম্বর আসামি সারোয়ার আলম খানের নির্দেশে মজিদ খানসহ অন্য আসামিরা জায়দুলকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০১৫ সালে বাদীর দেবর জয়নাল মিয়া ও ভাগ্নে সাহাব উদ্দিনকেও আসামিরা হত্যা করেছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে হবিগঞ্জ আদালতে বিচারাধীন।
মামলায় এজাহারভুক্ত ২৯ আসামি হলেন সারোয়ার আলম খান (৩৭), মজিদ খান (৫১), বদির মিয়া (৪৪), শামীম মিয়া (৪০), সাইফুল খান (৪০), মোহিত খান (৩৯), মিজান খান (৩০), সুমন মিয়া (৩৫), ওয়ারিস খান (৫১), রাহীম মিয়া (৩০), সাকিব খান (২৩), ফয়সল খান (২৮), শফিক খান (৪৬), শোয়েব খান (২১), সায়েম খান (২২), কিম্মত আলী (৫৬), দিয়ারিশ খান (৫৩), সালমান মিয়া (২৫), ইয়ামিন মিয়া (২৩), মাহিন মিয়া (২৫), দুলাল মিয়া (৩৫), আলাল মিয়া (৩২), পলাশ মিয়া (২৮), মতিন মিয়া (২৫), সেলিম মিয়া (৪৩), ফরহাদ মিয়া (৩৫), রাসেল মিয়া (৪৫), নুর আলম (৩৫) ও আক্তারুজ্জামান খান (৪০)।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজাহারে করা অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে জায়গা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শেখ জায়দুল (২৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার আলম খানসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিহত জায়দুলের মা রাহিনুর বেগম বাদী হয়ে বানিয়াচং থানায় মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার মন্দরী গ্রামের খেলার মাঠসংলগ্ন একটি জায়গা কিছুদিন আগে ক্রয় করেন মৃত শেখ লোকমান মিয়ার ছেলে শেখ জায়দুল মিয়া। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ওই জায়গায় বেড়া দিতে গেলে মৃত মাহতাব খানের ছেলে মজিদ খান বাধা দেন। এ নিয়ে জায়দুল ও মজিদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মজিদ খান জায়দুলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ১৫ মিনিটের দিকে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে জায়দুলের গতিরোধ করা হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ১ নম্বর আসামি সারোয়ার আলম খানের নির্দেশে মজিদ খানসহ অন্য আসামিরা জায়দুলকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
এজাহারে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০১৫ সালে বাদীর দেবর জয়নাল মিয়া ও ভাগ্নে সাহাব উদ্দিনকেও আসামিরা হত্যা করেছিলেন। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে হবিগঞ্জ আদালতে বিচারাধীন।
মামলায় এজাহারভুক্ত ২৯ আসামি হলেন সারোয়ার আলম খান (৩৭), মজিদ খান (৫১), বদির মিয়া (৪৪), শামীম মিয়া (৪০), সাইফুল খান (৪০), মোহিত খান (৩৯), মিজান খান (৩০), সুমন মিয়া (৩৫), ওয়ারিস খান (৫১), রাহীম মিয়া (৩০), সাকিব খান (২৩), ফয়সল খান (২৮), শফিক খান (৪৬), শোয়েব খান (২১), সায়েম খান (২২), কিম্মত আলী (৫৬), দিয়ারিশ খান (৫৩), সালমান মিয়া (২৫), ইয়ামিন মিয়া (২৩), মাহিন মিয়া (২৫), দুলাল মিয়া (৩৫), আলাল মিয়া (৩২), পলাশ মিয়া (২৮), মতিন মিয়া (২৫), সেলিম মিয়া (৪৩), ফরহাদ মিয়া (৩৫), রাসেল মিয়া (৪৫), নুর আলম (৩৫) ও আক্তারুজ্জামান খান (৪০)।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজাহারে করা অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।
