জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য চলাকালে কিউবার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্প কিউবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, কিউবার বর্তমান পরিস্থিতিতে তার প্রশাসন ‘মৌলিক পরিবর্তন’ চায়। তিনি কিউবাকে একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়ে বক্তব্য দেন। ট্রাম্প আরও বলেন, কিউবায় ‘স্বাধীনতা আসবে’।
ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের পর কিউবার জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ঘটনাটিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় কিউবার প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট হিসেবে জানিয়েছে।
কিউবা প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজের ভূখণ্ড বা আশপাশের অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে এমন পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। তার বক্তব্যে কিউবার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধভিত্তিক নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ও উঠে আসে।
কিউবা নিয়ে মার্কিন নীতি নির্ধারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার প্রশাসন কিউবার বিষয়ে চাপ ও কৌশলগত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য চলাকালে কিউবার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্প কিউবার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও শাসনব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।
ভাষণে ট্রাম্প বলেন, কিউবার বর্তমান পরিস্থিতিতে তার প্রশাসন ‘মৌলিক পরিবর্তন’ চায়। তিনি কিউবাকে একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির বর্তমান শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়ে বক্তব্য দেন। ট্রাম্প আরও বলেন, কিউবায় ‘স্বাধীনতা আসবে’।
ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের পর কিউবার জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ঘটনাটিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় কিউবার প্রতিনিধিদের ওয়াকআউট হিসেবে জানিয়েছে।
কিউবা প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নিজের ভূখণ্ড বা আশপাশের অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করতে পারে এমন পরিস্থিতি গ্রহণযোগ্য নয়। তার বক্তব্যে কিউবার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধভিত্তিক নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতির বিষয়ও উঠে আসে।
কিউবা নিয়ে মার্কিন নীতি নির্ধারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তার প্রশাসন কিউবার বিষয়ে চাপ ও কৌশলগত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
