বৈশাখের তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বাগেরহাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ তাদের।
পরীক্ষার্থী ইসমাঈল জানায়, পড়তে বসার পরই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, ফলে প্রস্তুতি ব্যাহত হচ্ছে এবং পরীক্ষার ফলাফলেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে শ্রমজীবী মানুষের জীবনেও। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা পর্যাপ্ত চার্জ না পাওয়ায় রাস্তায় বের হতে পারছেন না, ফলে আয় কমে গেছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ফ্রিল্যান্স কর্মীরাও কাজের ধারাবাহিকতা রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমনা বেগম বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন জীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষা, অর্থনীতি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
বৈশাখের তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বাগেরহাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও পরবর্তী এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।
চলমান এসএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ তাদের।
পরীক্ষার্থী ইসমাঈল জানায়, পড়তে বসার পরই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, ফলে প্রস্তুতি ব্যাহত হচ্ছে এবং পরীক্ষার ফলাফলেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে শ্রমজীবী মানুষের জীবনেও। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা পর্যাপ্ত চার্জ না পাওয়ায় রাস্তায় বের হতে পারছেন না, ফলে আয় কমে গেছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ফ্রিল্যান্স কর্মীরাও কাজের ধারাবাহিকতা রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমনা বেগম বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন জীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছে।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মালিকরা অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহফুজুর রহমান জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষা, অর্থনীতি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আরও বিপর্যস্ত হতে পারে।
