ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে বাংলাদেশি যাত্রীদের হয়রানি ও জোর করে মুদ্রাবিনিময়ের অভিযোগে দুই স্থানীয় দালালকে গ্রেপ্তার করেছে পেট্রাপোল থানার পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল-২-এর কাছে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিম বিশ্বাস ওরফে মুন্না এবং আলমগীর মন্ডল নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের বরাতে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ কাউন্টারের সামনে ঘোরাফেরা করতেন। বাংলাদেশি যাত্রীদের কখনও জোর করে, আবার কখনও ভুল বুঝিয়ে মুদ্রাবিনিময়ে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যাংক নির্ধারিত বা প্রচলিত বিনিময় হারের পরিবর্তে নিজেদের ইচ্ছামতো রেট চাপিয়ে দিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতেন তারা। পাশাপাশি যাত্রীদের ভয় দেখানো ও বিভ্রান্ত করার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের পেট্রাপোলে পৌঁছানোর পর কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে বের হওয়ার সময়ই বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। জোর করে কম রেটে মানি এক্সচেঞ্জ, অতিরিক্ত গাড়িভাড়া দাবি এবং পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
পেট্রাপোল বন্দরকেন্দ্রিক এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় থানায় পর্যটকদের অভিযোগ জমা পড়লেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ।
তবে সাম্প্রতিক অভিযানে দুই স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সীমান্তে বাংলাদেশি যাত্রীদের হয়রানি বন্ধে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে বাংলাদেশি যাত্রীদের হয়রানি ও জোর করে মুদ্রাবিনিময়ের অভিযোগে দুই স্থানীয় দালালকে গ্রেপ্তার করেছে পেট্রাপোল থানার পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) পেট্রাপোল ইমিগ্রেশনের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল-২-এর কাছে অভিযান চালিয়ে ইব্রাহিম বিশ্বাস ওরফে মুন্না এবং আলমগীর মন্ডল নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের বরাতে জানা গেছে, অভিযুক্তরা বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ কাউন্টারের সামনে ঘোরাফেরা করতেন। বাংলাদেশি যাত্রীদের কখনও জোর করে, আবার কখনও ভুল বুঝিয়ে মুদ্রাবিনিময়ে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যাংক নির্ধারিত বা প্রচলিত বিনিময় হারের পরিবর্তে নিজেদের ইচ্ছামতো রেট চাপিয়ে দিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতেন তারা। পাশাপাশি যাত্রীদের ভয় দেখানো ও বিভ্রান্ত করার অভিযোগও রয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের পেট্রাপোলে পৌঁছানোর পর কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষ করে বের হওয়ার সময়ই বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। জোর করে কম রেটে মানি এক্সচেঞ্জ, অতিরিক্ত গাড়িভাড়া দাবি এবং পাসপোর্ট আটকে রাখাসহ বিভিন্ন অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
পেট্রাপোল বন্দরকেন্দ্রিক এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় থানায় পর্যটকদের অভিযোগ জমা পড়লেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ।
তবে সাম্প্রতিক অভিযানে দুই স্থানীয় ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সীমান্তে বাংলাদেশি যাত্রীদের হয়রানি বন্ধে পুলিশের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
