বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

তবে প্রস্তাবটি এখনো চূড়ান্ত আইন হয়নি

রাশিয়ার তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক? ভারতের নামসহ ১০ দেশ মার্কিন তালিকায়

রাশিয়ার তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক? ভারতের নামসহ ১০ দেশ মার্কিন তালিকায়
২০২৬ সালের ১ আগস্ট মুম্বাইয়ে শিক্ষার্থীরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবিসহ একটি পোস্টার প্রদর্শন করেন। ছবি: গেটি ইমেজেস

রাশিয়ার তেল ও গ্যাস বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিলকে ঘিরে ভারতসহ ১০ দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এটি এখনো সরাসরি কোনো শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নয়; প্রস্তাবিত আইনে এসব দেশকে সম্ভাব্য শুল্কের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026’ নামে বিলটি গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়। সিনেটের সংস্করণে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ ছিল না। সেখানে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের পরিমাণের দিক থেকে সবচেয়ে বড় পাঁচ আমদানিকারকের কথা বলা হয়েছিল।

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান স্টেনি হোয়ারের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সম্ভাব্য ১০০ শতাংশ শুল্কের জন্য ১০টি দেশের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশগুলো হলো চীন, ভারত, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাক, প্রজাতন্ত্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র,

তবে সংশোধনীতে কোনো দেশের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়নি। বরং বিলটি আইনে পরিণত হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এসব দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে ভারত এই বিধানের আওতায় আসতে পারে। ওয়াশিংটনের অবস্থান হলো, রাশিয়ার জ্বালানি থেকে পাওয়া রাজস্ব ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থায়নে সহায়তা করছে। ভারত অন্যদিকে রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার কথা বলে আসছে।

বিলটির ১১৩ নম্বর ধারা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি মিকস এই ধারা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সংশোধনী এনেছেন। ওই ধারায় রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টকে ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

মিকস আরও একটি সংশোধনীতে জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করার সুযোগ এবং ইউক্রেনকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও পরিষেবা কেনার জন্য ১৫ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

প্রতিনিধি পরিষদ বিলটি নিয়ে এগিয়েছে এবং চূড়ান্ত ভোটের প্রক্রিয়া চলছে। বিলটি পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরে আইনে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত ভারত বা অন্য কোনো দেশের ওপর এই প্রস্তাবিত ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হচ্ছে না। 

#ভারত #রাশিয়ারতেল #মার্কিনশুল্ক

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাশিয়ার তেল কিনলেই ১০০% শুল্ক? ভারতের নামসহ ১০ দেশ মার্কিন তালিকায়

প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাশিয়ার তেল ও গ্যাস বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিলকে ঘিরে ভারতসহ ১০ দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এটি এখনো সরাসরি কোনো শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নয়; প্রস্তাবিত আইনে এসব দেশকে সম্ভাব্য শুল্কের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

Lindsey O. Graham Sanctioning Russia and Iran Act of 2026’ নামে বিলটি গত ৭ আগস্ট মার্কিন সিনেটে ৮৬-১১ ভোটে পাস হয়। সিনেটের সংস্করণে কোনো দেশের নাম সরাসরি উল্লেখ ছিল না। সেখানে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের পরিমাণের দিক থেকে সবচেয়ে বড় পাঁচ আমদানিকারকের কথা বলা হয়েছিল।

প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান স্টেনি হোয়ারের প্রস্তাবিত সংশোধনীতে সম্ভাব্য ১০০ শতাংশ শুল্কের জন্য ১০টি দেশের নাম স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। দেশগুলো হলো চীন, ভারত, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাক, প্রজাতন্ত্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র,

তবে সংশোধনীতে কোনো দেশের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়নি। বরং বিলটি আইনে পরিণত হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এসব দেশের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল কেনার কারণে ভারত এই বিধানের আওতায় আসতে পারে। ওয়াশিংটনের অবস্থান হলো, রাশিয়ার জ্বালানি থেকে পাওয়া রাজস্ব ইউক্রেনের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে অর্থায়নে সহায়তা করছে। ভারত অন্যদিকে রাশিয়া থেকে তেল কেনাকে নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার কথা বলে আসছে।

বিলটির ১১৩ নম্বর ধারা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান গ্রেগরি মিকস এই ধারা পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সংশোধনী এনেছেন। ওই ধারায় রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর প্রেসিডেন্টকে ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

মিকস আরও একটি সংশোধনীতে জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করার সুযোগ এবং ইউক্রেনকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও পরিষেবা কেনার জন্য ১৫ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি ঋণ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

প্রতিনিধি পরিষদ বিলটি নিয়ে এগিয়েছে এবং চূড়ান্ত ভোটের প্রক্রিয়া চলছে। বিলটি পাস হয়ে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরে আইনে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত ভারত বা অন্য কোনো দেশের ওপর এই প্রস্তাবিত ১০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হচ্ছে না। 


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত